স্ত্রীর চিৎকার শুনে ভাবেন, হয়তো ভাল্লুক এসেছে। কিন্তু পরে জানতে পারেন, তিনি আসলে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন- এমনই এক আশ্চর্যজনক কাণ্ড ঘটেছে চিকিৎসায় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফ্রেড রামসডেলের সঙ্গে। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে, সোমবার বিকেলে হাইকিংয়ের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার সময় হঠাৎ র্যামসডেলের স্ত্রী লরা ও’নিল চিৎকার শুরু করেন। চিৎকার শুনে র্যামসডেলের প্রথমে মনে হয়েছিল তাঁর স্ত্রী হয়তো কোনো ভাল্লুক দেখেছে। কিন্তু লরা আরও জোরে চিৎকার করে এক সময় বলে ওঠেন ‘তুমি নোবেল জিতেছো’।
৬৪ বছর বয়সী র্যামসডেল ও তার সহকর্মীরা রোগ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর গবেষণার জন্য এই সম্মান পাচ্ছেন। তার গবেষণা অটোইমিউন রোগ, যেমন- আর্থ্রাইটিস, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস ও ক্রোনস রোগের চিকিৎসায় সহায়তা করেছে। র্যামসডেল জানান, তিনি সাধারণত ছুটির সময় ফোনে অনলাইন থাকেন না। তিন সপ্তাহের হাইকিং ট্রিপের প্রায় শেষ পর্যায়ে মন্টানার ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্কের কাছে অবস্থান করছিলেন তারা। র্যামসডেলকে শেষ পর্যন্ত নোবেল অ্যাসেম্বলির সাধারণ সম্পাদক থমাস পারেলম্যানের সঙ্গে কথা বলতে প্রায় ২০ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। পারেলম্যান জানান, ২০১৬ সালে তিনি এই দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কোনো পুরস্কারবিজয়ীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে এতটা সময় লাগেনি। নোবেল জয়ের পর র্যামসডেল বলেছেন, আমি কৃতজ্ঞ এবং বিনীত। এই কাজের স্বীকৃতি পাওয়ায় আনন্দিত। এখন আমার সহকর্মীদের সঙ্গে এই সুখবর ভাগ করে নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।
স্ত্রীর চিৎকারে ভেবেছিলেন ভাল্লুক, পরে শোনেন নোবেল জিতেছেন
প্রকাশিত: ১১ মে, ২০২৬, ০৯:০২ এএম
আন্তর্জাতিক রিলেটেড নিউজ
The 12-Day War of 2025: A Clash of Titans - Israel, the US, and Iran Unite in an Epic Struggle
দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বে সি চিন পিং ও শাহাবুদ্দিনের অঙ্গীকার
জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাচ্ছে চীনা জলবিদ্যুৎ প্রকল্প
মেক্সিকো ও চীন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার : মার্কোস গুতিয়েরেজ
বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু হতে চায় চীন
বেইজিং সফরে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো
ইউএনডিপি-র ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক নিযুক্ত হলেন সু হাও লিয়াং
ব্রিকস মানব উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম
