NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

‘নতুন সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র’


খবর   প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম

‘নতুন সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের নতুন নতুন সম্ভাবনাগুলো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করতে চায়। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চায়। বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেটে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক মাসে ধারাবাহিকভাবে আমেরিকার উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি আসছে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য। শুধু সেটা না, তারা দাওয়াত দিয়েছে সেদেশে গিয়ে তাদের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করার জন্য। এটা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের যে বৈদেশিক নীতি, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নই’ আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তার জন্য।   তিনি বলেন, আমরা খুব ভাগ্যবান যে, অনেক দেশের নামজাদা কূটনীতিকরা এসেছেন। আমেরিকার সাতজন সিনিয়র কূটনীতিক এসেছেন। সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার জন্য তাদের সঙ্গে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। যতো ভুল বোঝাবুঝি আছে, সব দূর করে এখন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত শক্ত ভিত্তির ওপর রয়েছে।

 রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে ড. মোমেন বলেন, সব রোহিঙ্গা ফেরত যাবে বলে মনে হয় না। বিদেশিদের বলেছি-কিছু আপনারা নেন না কেন? তো তারা নেওয়া শুরু করেছেন। তারা আরও নেবে। আমেরিকা নেবে, কানাডা নেবে অন্যান্য দেশকেও নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। আমরা চাই রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফিরে যাক। যুক্তরাষ্ট্র এ ব্যাপারে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে।    করোনা সংক্রমণের সময়কার সফলতার প্রসঙ্গ টেনে বাংলাদেশকে ‘মিরাকল দেশ’ হিসেবে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, এই মিরাকল দেশের সঙ্গে তারা (আমেরিকানরা) সুসম্পর্ক রাখতে চায়। কারণ, এখানে নতুন নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।   দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ দূতের সফর সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবচেয়ে উন্নয়নশীল। মানে র‌্যাপিডলি ডেভেলপিং কান্ট্রি। এখানে বহু ধরনের সুযোগ-সুবিধার সৃষ্টি হয়েছে। সেগুলোতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে, সেজন্য তিনি এসেছেন।   ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সফর সম্পর্কে ড. মোমেন বলেন, তিনিও একই বার্তা নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার জন্য। আমাদের প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।  এছাড়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) শিক্ষার্থীদের অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।   অনুষ্ঠানে ড. মো. মোস্তফা সামছুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও রূপালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আহমদ আল কবির। আরও বক্তব্য রাখেন ডিন কাউন্সিলের আহবায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মেহেদী হাসান খান, রেজিস্টার মো. বদরুল ইসলাম, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহবায়ক প্রফেসর ড. শরিফুন্নেছা মুনমুন, প্রক্টর  প্রফেসর ড. মো. মনিরুল ইসলাম, সিকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. এমদাদুল হক।