NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬ | ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
Logo
logo

এ আর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করবে কাজী নজরুলের পরিবার


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৭ এএম

এ আর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করবে কাজী নজরুলের পরিবার

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত গান ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটির সুর-বদল করার জন্য অস্কারজয়ী সঙ্গীত পরিচালক এ আর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কবির পরিবার। এ বিষয়টি সামনে আসার পর কবির পরিবারের ভেতরের বড়সড় ফাটল সামনে এসেছে।  ‘পিপ্পা’ সিনেমায় ব্যবহৃত ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটিকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। কারণ সিনেমার সুরকার এ আর রহমান গানটি নিজের মতো করে সুর দিয়েছেন।এ গানের সুর বিকৃত করার অভিযোগের জবাবে সিনেমার নির্মাতারা জানিয়েছেন, তারা চুক্তি অনুযায়ী কাজ করেছেন। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে স্বত্ব বিক্রি নিয়ে।

  বৃহস্পতিবার কলকাতায় এক সংবাদ সম্মেলন করে কাজী নজরুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ভারতে যেমন মামলা হবে, তেমনই বাংলাদেশেও জনস্বার্থ মামলার প্রস্তুতি চলছে।  সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন কাজী নজরুল ইসলামের দুই ছেলে কাজী সব্যসাচী ও কাজী অনিরুদ্রের দুই ছেলেমেয়ে খিলখিল কাজী ও কাজী অরিন্দম। এদিন উপস্থিত ছিলেন অরিন্দমের স্ত্রী সুপর্ণা ভৌমিক এবং তাদের পুত্র-কন্যা অনুরাগ ও অভীপ্সা।  দাদা অনির্বাণ কাজীর বিরুদ্ধে কাজী অরিন্দমের অভিযোগ, তাদের না জানিয়েই তিনি কবির গানের স্বত্ব বিক্রি করেছিলেন।  খিলখিলের দাবি- আমরা চাই, রহমান এবং রায় কাপুর ফিল্মসের পক্ষ থেকে যেন জনসমক্ষে ক্ষমা চাওয়া হয়।  

তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কলকাতায় কেন নজরুল বিষয়ক কোনো প্রতিষ্ঠান নেই? দাদা অনির্বাণের বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষোভ অরিন্দমের। ১০ নভেম্বরের পর থেকে একাধিকবার অনির্বাণের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় তার পক্ষ থেকে কিন্তু কোনো জবাব মেলেনি।  অরিন্দম বলেন, আমার মা কল্যাণী কাজীর ৮৬ বছর বয়স ছিল। দাদাকেই বৈষয়িক দায়িত্ব দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দাদা যে এমন ঘটাবে সেটা হয়তো মাও আশা করেননি। আমি শুনেছি, দাদুর (কাজী নজরুল ইসলাম) পাওয়া সরকারি পুরস্কারও নাকি বিক্রি করতে গিয়েছিলেন আমার দাদা। উনি জানিয়েছিলেন, নজরুলের একমাত্র উত্তরসূরি নাকি তিনিই। আমরা কি তাহলে আত্মা?  তিনি বলেন, আমি সরকারের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি অবিলম্বে যেন নজরুলের একটি সংগ্রহশালা তৈরি করা হয়। দাদা অনির্বাণ এবং রায় কাপুর ফিল্মসের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে শিগগিরই।