NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

চীনে হাইড্রোপনিক ঘাসের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি


মশিউর আনন্দ প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০২:১৮ পিএম

চীনে হাইড্রোপনিক ঘাসের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনের ছিংহাই প্রদেশের হাইনান তিব্বতি জাতির স্বায়ত্তশাসিত বান্নারের কংহ্যে জেলার ছিয়াফুছিয়া থানার সুওজিহাই গ্রামের গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩ হাজার মিটার। গ্রামের প্রধান শিল্প হলো পশুপালন। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় প্রাকৃতিক চারণভূমির আয়তন হ্রাস পাওয়া ও পশুপালন শিল্পের দ্রুত উন্নয়নের কারণে ঘাসের ওপর চাপ বেড়েছে।স্থানীয় বাসিন্দা সুওনানরেনছিং হাইড্রোপনিক ঘাস চাষ করার মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করেছেন। সুওনানরেনছিংয়ের হাইড্রোপনিক ঘাস ধারকে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা আছে। ধারকে ঘাস অনেক ভালভাবে বড় হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আগে আমি ভাবিনি যে, পানিতে ঘাস চাষ করা যায়। এভাবে চাষ করলে বীজ শুধুমাত্র সাত দিনের মাথায় উচ্চ-মানের ঘাসে পরিণত হয়, যা গবাদিপুশুরা খেতে পারে। এ ধরণের ঘাস ঋতুনির্ভর নয়। সারা বছরজুড়েই এর চাষ করা সম্ভব। এ ঘাস যেন মালভূমির আলৌকিক ঘটনা। অনেক পশুপালক আমার কাছ থেকে ঘাস কিনে থাকেন।’এ ধরণের ঘাস খাওয়ালে পশুরা সতেজ হয়। সেজন্য বাজারে এদের চাহিদা বেশি। সুওনানরেনছিংয়ের গ্রামের পশুগুলো সিনিং ও ছেংদুসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় হয়। আগে বিরূপ আবহাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে তাঁর গ্রামে গরু ও ভেড়া প্রতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর— এই দুই মাসে বিক্রি হতো। কিন্তু এ সময় মাংসের দাম সাধারণত কম, আর স্থানীয় বাসিন্দাদের আয় কম। সুওনানরেনছিং বলেন, সাধারণত সেপ্টেম্বরের পর মাটিতে তাজা ঘাস জন্মে না। ফলে না-খেয়ে পশুগুলোর ওজন কমে যায়। বিষয়টি ছিল স্থানীয় পশুপালকদের কষ্ট।এ সমস্যা সমাধানের জন্য সুওনানরেনছিং উপায় খুঁজছিলেন। একজন বেইজিংয়ের বন্ধু তাঁকে হাই হাইড্রোপনিক ঘাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। ২০২১ সালে সুওনানরেনছিং একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা চালিয়ে স্বয়ংক্রিয় হাইড্রোপনিক রোপণ ব্যবস্থা গবেষণা ও গড়ে তোলেন। তিনি নিজের গ্রামে ২ শতাধিক বর্গমিটারের কারখানা নির্মাণ করেন। তিনি দুই ধারকে হাইড্রোপনিক ঘাস রোপন শুরু করেন। তবে প্রথমে তাকে অনেক কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এক কেজি বীজ থেকে ৬ থেকে ৭ কেজি ঘাস হবে। তবে প্রথমে তাঁদের শুধুমাত্র ৩ থেকে ৪ কেজি ঘাস হতো। সুওনানরেনছিং প্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে এ নিয়ে পরামর্শ করেন। অনেক বার পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁরা ঘাসের ফলন বৃদ্ধিতে সক্ষম হন। বর্তমানে তাঁদের ঘাস ভালভাবে বড় হচ্ছে। তাঁদের ঘাস কাছাকাছি সমবায় ও পশুপালকদেরকে সরবরাহ করা হয়। এর মাধ্যমে স্থানীয় পশুপালকরা সমস্ত বছর ধরেই পশুপালন করতে পারেন। হাইনান বান্নারের চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কমিটির স্থায়ী সদস্য ও কংহ্যে জেলার সিপিসির কমিটির চেয়ারম্যান চাং ফেং বলেন, হাইড্রোপনিক ঘাস প্রযুক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় পশুপালকদের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ করা যায়। সম্প্রতি সুওনানরেনছিং ইনারমঙ্গোলিয়া, সিনচিয়াং, কানসু ও নিংসিয়া থেকে ঘাসের অর্ডার পাচ্ছেন। হাইড্রোপনিক ঘাস শিল্প উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের আয় বৃদ্ধির সঙ্গে পরিবেশও আরো সুন্দর হয়েছে। সূত্র: ছাই ইউয়ে,সিএমজি।