NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কে বাংলা বইমেলা: প্রবাসের ভাষা, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের পরীক্ষা লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations
Logo
logo

রাশিয়া ‘এক-চীন নীতি’-তে অবিচল থাকবে


ছাই উইয়ে: প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম

রাশিয়া ‘এক-চীন নীতি’-তে অবিচল থাকবে

 

 




১৮ই মে বৃহস্পতিবার ‘চীন-রাশিয়া সংস্কৃতিক বর্ষ’ শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান তথা চীন-রাশিয়া কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭৫তম বার্ষিকীর বিশেষ কনসার্ট বেইজিংয়ের চীনা জাতীয় থিয়েটারে আয়োজিত হয়। একই দিন চীন সফররত রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। দু’নেতা দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর বিগত ৭৫ বছরের সফল অভিজ্ঞতা সারসংক্ষেপ করেন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুগুলো নিয়ে মত বিনিময় করেন। 

দু’নেতা যৌথভাবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার জন্য একটি নতুন ব্লুপ্রিন্ট পরিকল্পনা করেন। চীন ও রাশিয়া একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে এবং বেশ কয়েকটি সহযোগিতার নথি স্বাক্ষর করে। এটি দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন প্রাণশক্তি যোগাবে বলে আশা করা যায়। 

বর্তমান বিশ্বে চীন-রাশিয়া সম্পর্কের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। চীন ও রাশিয়া যুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষকে লক্ষ্য না-বানানোর নীতিতে বিশ্বাস করে। শীতল যুদ্ধের সামরিক ও রাজনৈতিক জোটের বাইরে, এটি আন্তর্জাতিক সমাজের জন্য আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি নতুন মডেল স্থাপন করেছে এবং বিশৃঙ্খল বিশ্বে মূল্যবান স্থিতিশীলতা আনতে ভূমিকা রাখছে। 
দু’দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাশিয়া ‘এক-চীন নীতি’-তে অবিচল থাকবে এবং তথাকথিত ‘স্বাধীন তাইওয়ান’ ধারণার বিরোধিতা করে যাবে। আর, চীন রাশিয়াকে দেশের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। চীন বিদেশী শক্তির রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপেরও বিরোধিতা করে। প্রেসিডেন্ট পুতিন জোর দিয়ে বলেন, চীনের উন্নয়ন অপ্রতিরোধ্য; কোনো শক্তিই চীনের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে আটকাতে পারবে না। 

২০২৩ সালে চীন ও রাশিয়ার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের, যা দু’দেশের নেতাদের নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে অনেক বেশি। চীন টানা ১৪ বছর ধরে রাশিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। রাশিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাস চীনা সাধারণ পরিবারে ব্যবহৃত হয়। চীনা গাড়ি ও বৈদ্যুতিক পণ্য রাশিয়ায় খুবই জনপ্রিয়। 

পুতিন এবারের সফলকালে বিশেষ করে হার্বিনে গিয়ে অষ্টম চীন-রাশিয়া মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, দু’দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উদ্ভাবন, অন্তঃদেশীয় ই-কমার্স ও গাড়ি উৎপাদনসহ বিভিন্ন নতুন শিল্প ক্ষেত্রের সহযোগিতার সুযোগ বেশি। 
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।