NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, মে ১২, ২০২৬ | ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কে বাংলা বইমেলা: প্রবাসের ভাষা, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের পরীক্ষা লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations
Logo
logo

সিনচিয়াংয়ের চীনা গ্রামগুলোর স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প


ছাই ইউয়ে মুক্তা: প্রকাশিত:  ১২ মে, ২০২৬, ০৭:০৯ এএম

সিনচিয়াংয়ের চীনা গ্রামগুলোর স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় সিনচিয়াংয়ের বা বান্নার ও হ্যেশুও জেলা সুন্দর গ্রাম নির্মাণ ও বৈশিষ্ট্যময় পর্যটনশিল্প উন্নয়নের চেষ্টা করে। জেলাটি নগর ও গ্রামের সমন্বিত উন্নয়নের বৈশিষ্ট্যময় গ্রামীণ পুনরুজ্জীবনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এখানকার গ্রামীণ পর্যটন শিল্প স্থানীয় কৃষকদের ধনী হওয়ার চাবিকাঠি হয়ে উঠেছে। 

সম্প্রতি হ্যেশুও জেলা উশতালা থানার তাচুয়াং গ্রামের অবসর ও দর্শনীয় স্থান বাছাই বাগানে লাল টমেটো, বেগুনি বেগুন ও সবুজ কাউপিস ফসল ফলে। এগুলো কাছাকাছি অঞ্চলের বাসিন্দা ও পর্যটকদেরকে আকর্ষণ করে। 


“আমি সবসময় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এখানে তাজা সবজি কিনতে আসি। এখানকার সবজি খুবই ফ্রেশ; দামও কম। বাগান থেকে তাজা সবজি বাছাই করা খুবই মজার। সবুজ খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।” 
“আমি জেলার নগরাঞ্চল থেকে গাড়ী চালিয়ে এখানে ভ্রমণে আসি। আমি আমার সন্তানদেরকে সবজি বাগানে বিভিন্ন সবজির সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। কৃষকরা পর্যটন শিল্প উন্নয়নের পাশাপাশি সবজিও বিক্রয় করতে পারে।” জেলার একজন বাসিন্দা এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে গ্রামগুলোর অনেক পরিবর্তন হয়েছে। গ্রামের পরিবহনব্যবস্থা ও পরিবেশের উন্নতি ঘটেছে। 
এখানকার শাকসবজি জৈব পদ্ধতিতে চাষ করা হয়। একটি বাগানের মালিক ওয়াং শু হুয়া জানান, তাঁর বাগানে আসা পর্যটকের সংখ্যা খুবই বেশি। প্রতিদিন তার আয় প্রায় ৬ হাজার ইউয়ান। 

 


ওয়াং শু হুয়া’র বাগানটির আয়তন প্রায় ৩ হেক্টর। ২০১৫ সালে তাঁর বাগানে প্রথম ফসল হয়। তাঁর বাগানে আসা পর্যটক ও আশেপাশের বাসিন্দাদের সংখ্যা বছর বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও ওয়াং শু হুয়ার বাগানের আয়তন কম, তবুও এখান থেকে এক বছরে তাঁর আয় হয়েছে প্রায় ২.৫ লাখ ইউয়ান। 
সাত বছরে ওয়াং বাগানে দূষণমুক্ত বৃক্ষরোপণ ও বিজ্ঞানগত পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রচুর অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে। আসলে, পর্যটনশিল্প ও সবজির চাষ এখানে অনেক নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। কৃষকদের আয়ও অনেক বেড়েছে। 

 


ওয়াং বলেন, “বাগানটি আমার আয় বাড়িয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসীরা অবসর সময়ে এখান থেকে অতিরিক্ত আয় করতে পারেন। আমরা সবসময় অভিজ্ঞতা বিনিময় করি।” 
মা চি ইং হলেন তাচুয়াং গ্রামের বাসিন্দা। কৃষিকাজ থেকে  অবসর পেলেই তিনি বাগানে কাজ করেন। তিনি বলেন, “বাগানটি আমার বাড়ির কাছাকাছি অবস্থিত। প্রতিদিন আমার বেতন ১০০ ইউয়ানেরও বেশি। আমি আসলে এখানে সবুজ চাষবাস প্রযুক্তি ও বাগান-ব্যবস্থাপনা শিখতে চাই।” 


তাচুয়াং গ্রামে হ্যেশুও জেলার চীনা কমিউনিস্ট পার্টি কমিটির কার্যলয় এবং রাজনৈতিক ও আইন বিষয়ক কমিটির কাজকর্ম গ্রুপের প্রধান ও প্রথম সম্পাদক ওয়াং চি ছিয়াং বলেন, গ্রামটি সবুজ উন্নয়নের ধারণায় চলে। এখানে চার ঋতুতে ফুল ফোটে, সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এ থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের আয় বেড়েছে। গ্রামবাসীরা তাদের আয় বাড়াতে বাড়াতে একসময় ধনী হবে।
সূত্র: ছাই ইউয়ে মুক্তা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।