NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬ | ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
Logo
logo
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন ’সহযোগিতা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের শক্তিতেই’ সবসময় চালিত হয়েছে দুই প্রতিবেশী ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক

সঙ্কটে বাংলাদেশের সাথে আরও মজবুত ‘অর্থনৈতিক বন্ধন’ চান ভারতের রাষ্ট্রপতি


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০৫ এএম

সঙ্কটে বাংলাদেশের সাথে আরও মজবুত ‘অর্থনৈতিক বন্ধন’ চান ভারতের রাষ্ট্রপতি

 

 

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। 

চলমান বৈশ্বিক সঙ্কট মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাথে অর্থনৈতিক বন্ধন মজবুত করার উপর জোর দিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

ভারত সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে গেলে এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

ভারতের রাষ্ট্রপতি সচিবালয়ের এক বিবৃতিতে দুই দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের মধ্যে আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরা হয়। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‍উদ্ধৃত করে বিবৃতিতে বলা হয়, ’সহযোগিতা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের শক্তিতেই’ সবসময় চালিত হয়েছে দুই প্রতিবেশী ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। 

|“মহামারী ও বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যে বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলার জন্য ভারত ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিকভাবে আরও বেশি সম্পৃক্ত থাকা প্রয়োজন।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতির অনেক দিক দিয়েই দুই দেশ একই শেকড় ধারণ করে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলেও মন্তব্য করেন দ্রৌপদী মুর্মু।

তিনি বলেন, যেভাবে দুদেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর ও কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেছে, তা ছিল সত্যিকার অর্থে অনন্য।

“ঐতিহাসিক এই দুই উদযাপনে ভারতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ দেখিয়েছে, বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ককে কতটা গুরুত্ব দেয় ভারত।”

বিবৃতিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের অভাবনীয় আর্থ-সামাজিক উন্নতির প্রশংসা করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় ভারত অংশীদারীত্ব অব্যাহত রাখবে বলে শেখ হাসিনাকে তিনি আশ্বাস দেন। দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, শেখ হাসিনার এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও পরিপক্ক ও সমৃদ্ধ হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।