NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ চলে গেলেন কিন্তু রেখে গেলেন এক বিশাল স্মৃতিময় জীবন


Abdur Razzak প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০১:২৮ পিএম

রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ চলে গেলেন কিন্তু রেখে গেলেন এক বিশাল স্মৃতিময় জীবন
 

এম আব্দুর রাজ্জাক উত্তরবঙ্গ থেকে :


রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ বাংলাদেশে মোট এসেছিলেন দুবার। প্রথমবার ১৯৬১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকায় আর দ্বিতীয় বার স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৮৩ সালের নভেম্বর মাসে।
প্রথমবারের সফরে কেবল ঢাকা আর চট্টগ্রাম ভ্রমণ করেছিলেন রানী। ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬১ সালে রয়েল এয়ার ফোর্সের বিমানে করে ঢাকায় নামেন রানী। তখন রানীর জন্য বর্তমানের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন সুগন্ধা সাজানো হয়েছিলো রাজকীয় ভাবে। ১৩ই ফেব্রুয়ারি রানী স্টিমারে করে বুড়িগঙ্গা নদীতে প্রমোদ ভ্রমণ করেন। এরপর তিনি পরিদর্শনে যান আদমজী জুট মিলে। সেই সফরে চট্টগ্রাম ও ভ্রমণ করেছিলেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। পাকিস্তানের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান রানীর বিদায়ের সময় উপস্থিত ছিলেন।
রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ সর্বশেষ বাংলাদেশ সফরে আসেন ১৯৮৩ সালের নভেম্বর মাসে তৎকালীন সামরিক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের আমন্ত্রণে। চার দিনের সেই সফরে ছিলো ব্রিটেনের রানীর স্বাধীন বাংলাদেশে একমাত্র সফর।
চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে রানী জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছিলেন।
.
পাশাপাশি একটি স্বনির্ভর গ্রাম দেখতে ঢাকা থেকে বিশেষ ট্রেনে রানী গাজীপুরের শ্রীপুর স্টেশনে যান। এ সময় তার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট এরশাদও সফরসঙ্গী ছিলেন। স্টেশন থেকে গাড়িতে চেপে শ্রীপুর উপজেলার বৈরাগীরচালা গ্রামে যান রানী।
রাণীর সফর উপলক্ষে গ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন করা হয়েছিল। কাঁচা রাস্তাগুলো রাতারাতি পাকা করা হয়। আর গ্রামে প্রথমবার বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়, যা ওই গ্রামে কলকারখানা গড়ে উঠতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করে।
গ্রামের একটি কাঁঠাল বাগানে স্থানীয় নারীদের সঙ্গে গল্প করেন রানি। এ সময় এক নারী রানিকে রূপার চাবি উপহার দিয়েছিলেন। ওই চাবিটি প্রতীকি অর্থে দেওয়া হয়। এর অর্থ হচ্ছে যেকোনো সময় রানি বৈরাগীরচালা গ্রামে আসতে পারবেন। তার জন্য গ্রামের সব দরজা সর্বদা খোলা।
ওই গ্রামে রানির যাওয়ার মূল কারণ ছিল তিনি একটি স্বনির্ভর গ্রাম পরিদর্শন করতে চেয়েছিলেন। রানিকে পুকুরে মাছ ধরা, মুড়ি বানানোসহ বিভিন্ন গ্রামীণ শিল্প দেখানো হয়েছিলো।