NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

জেলেনস্কিকে যুক্তরাজ্যে উষ্ণ অভ্যর্থনা, আলিঙ্গন করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম

জেলেনস্কিকে যুক্তরাজ্যে উষ্ণ অভ্যর্থনা, আলিঙ্গন করলেন  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার

  হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তিক্ত বৈঠকের পর লন্ডনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন ইউক্রেনের নেতা ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। স্টারমার আশ্বস্ত করেছেন, 'যতক্ষণ সময় লাগে' যুক্তরাজ্যের 'অবিচল সমর্থন' কিয়েভের প্রতি থাকবে।  পূর্ণ সমর্থনের সঙ্গে 'ইউক্রেনের ভবিষ্যতের সার্বভৌমত্ব ও সুরক্ষা সুরক্ষিত করে এমন ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তিতে' পৌঁছানোর গুরুত্বের উপর জোর দেন ব্রিটিশ নেতা।   জেলেনস্কিও স্টারমারের সাথে 'অর্থবহ ও উষ্ণ বৈঠকের' প্রশংসা করেন এবং প্রতিশ্রুতি দেন, 'তহবিলগুলো ইউক্রেনে অস্ত্র উত্পাদনের দিকে পরিচালিত হবে।'  8 লন্ডনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। ছবি: সংগৃহীত   ট্রাম্পের সঙ্গে শুক্রবারের বৈঠকের পর শনিবার (১ মার্চ) কিয়েভের সামরিক সক্ষমতা জোরদারে নতুন ২.৮৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য।  ২০২২ সাল থেকে ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলস রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের পাশাপাশি শত শত কোটি ডলারের ব্যক্তিগত সম্পদ জব্দ করেছে।

পশ্চিমা কর্মকর্তারা তহবিলের কিছু অংশ ইউক্রেনে পাঠানোর প্রস্তাব করেছেন। আইনি উদ্বেগের কারণে এ জাতীয় প্রচেষ্টা ধীর হয়ে গেছে। তবে সম্পদ থেকে পাওয়া লাভের অর্থ এরই মধ্যে ইউক্রেনে ব্যবহার করা হচ্ছে।  মস্কো বারবার সম্পদ জব্দকে 'চুরি' বলে নিন্দা করেছে। ক্রেমলিন বলেছে, কিয়েভের প্রতি পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন তাদেরকে এই সংঘাতে সরাসরি অংশগ্রহণকারী করে তোলে।  যুক্তরাজ্য ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে কিয়েভকে ১৫.৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ সরবরাহ করেছে। জার্মানির কিয়েল ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, বার্লিন ১৮ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ও অন্যান্য সহায়তা পাঠিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে প্রায় ১২০ বিলিয়ন ডলার।