NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬ | ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
Logo
logo

লিচিয়াং প্রাচীন শহরে হাটতে হাটতে স্থানীয় ও পর্যটকদের সঙ্গে কথা বললেন সি চিন পিং


আন্তর্জাতিক : প্রকাশিত:  ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম

লিচিয়াং প্রাচীন শহরে হাটতে হাটতে স্থানীয়  ও পর্যটকদের সঙ্গে কথা বললেন সি চিন পিং

 

 


চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং গত বুধবার ১৯শে মার্চ ইয়ুননান প্রদেশের লিচিয়াং শহরের আধুনিক ফুল শিল্প পার্ক ও লিচিয়াং প্রাচীন শহর পরিদর্শন করেছেন, স্থানীয় পরিস্থিতি অনুসারে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কৃষি শিল্প উন্নয়ন, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণ ও ব্যবহার, চীনা জাতির অভিন্ন চেতনা জোরদারের পরিস্থিতি সম্পর্কে জেনেছেন।

লিচিয়াং আধুনিক ফুল শিল্প পার্কে ফুল রোপণ, কোল্ড চেইন লজিস্টিক, অবসর দর্শনীয় ভ্রমণ, ত্রিমাত্রিক বিক্রয়কে একীভূত করা হয়। এতে রয়েছে গোলাপের তেল, অ্যারোমাথেরাপি, ফুলের খাবার ইত্যাদি প্রক্রিয়াকরণ লাইন, এর পণ্যগুলো কেবল চীনে বিক্রি করা হয় না, বরং জাপান, ভিয়েতনাম, রাশিয়াসহ অন্যান্য দেশেও বিক্রি করা হয়, যার ফলে আশেপাশের গ্রামীণ এলাকায় ৩০০ জনেরও বেশি লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।


পরিদর্শনের সময় সি চিন পিং গ্রামবাসী ও প্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ফুলের জাত, বাজার বিক্রয়, আয় ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানতে চান। স্থানীয় একজন গ্রামবাসী সি চিন পিংকে বলেছে, ফুল চাষের কাজ করতে খুব খুশি লাগে। এখানে কাজ করে এক মাসের আয় ৪ হাজার ইউয়ান, ভরা মৌসুমে ৭ হাজার ইউয়ান পর্যন্ত আয় হয়। তার কথা শুনে সি চিন পিং আনন্দের সাথে বলেন, এই ব্যবসা খুব সমৃদ্ধ এবং আধুনিক কৃষির উন্নয়ন যাত্রার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, তোমাদের জীবন ফুলের মতো সুন্দর হোক এই কামনা করি।

লিচিয়াং প্রাচীন শহর সোং রাজবংশের শেষে নির্মিত হয়। এর ৮০০ বছরেরও বেশি সময়ের ইতিহাস রয়েছে, যা চীনের একমাত্র দেয়াল ছাড়া প্রাচীন শহর। ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর লিচিয়াং প্রাচীন শহর বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

লিচিয়াং প্রাচীন শহরে সি চিন পিং হাটতে হাটতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, এখানকার সংস্কৃতি, দৃশ্য ও রীতিনীতি খুব আকর্ষণীয়। সংস্কৃতি ও পর্যটনের একীকরণ অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করেছে। সাংস্কৃতিক ও পর্যটন শিল্পে টেকসই ও সুস্থ উন্নয়নের পথ অনুসরণ করতে হবে। তিনি আশা করেন সবার সুখী, শান্তি ও সুস্থ জীবন হবে।

সূত্র : তুহিনা- হাশিম-স্বর্ণা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।