NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

আমার সম্পত্তি যেভাবে ক্রোক হয়েছে, স্বাভাবিক মনে করি না: সাকিব


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০১:৩৩ পিএম

আমার সম্পত্তি যেভাবে ক্রোক হয়েছে, স্বাভাবিক মনে করি না: সাকিব

  ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। রাজনীতিবিদ সাকিব আল হাসান। এসবের পাশাপাশি আরেকটা পরিচয় আছে সাকিবের। ব্যবসায়ী সাকিব আল হাসান। ক্রিকেটের বাইরে বাংলাদেশে সাকিব কী কী ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সম্প্রতি দেশের একটি ইংরেজি দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তা জানিয়েছেন সাকিব।   সাকিবের ভাষ্য, ‘ক্রিকেট ছাড়া অন্য বিষয়ে তেমন মনোযোগ দিতে পারিনি, স্বাভাবিকভাবেই ব্যবসা-লাভ এসবেও মনোযোগ ছিল না। আমি দুটি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত; একটি আমার কাঁকড়ার খামার, আরেকটি শেয়ারবাজারের ব্যবসা।’   সাকিবের দাবি, করোনা মহামারির আগে কাঁকড়ার ব্যবসায় ভালোই করছিলেন। তখন ঋণ পরিশোধে কোনো বকেয়া জমা হয়নি। কিন্তু কোভিড মহামারির কারণে খামারটির কার্যক্রম থমকে যায় এবং পণ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রচুর লোকসান হয়।       সাকিবের জানান, ‘এখন হিসাবটি এমন, আমি খামারটির ৩৫ শতাংশের মালিক, বাকি ৬৫ শতাংশ অন্যদের। কিন্তু যে কারণেই হোক, লোকে শুধু সাকিব আল হাসানের নামই জানে। এই ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট বাকিদের নাম উল্লেখ করা হয়নি।’

 সাকিব এ প্রসঙ্গে আরও বলেছেন, ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির অংশীদারদের সঙ্গে কথা বলা এবং আসল সমস্যা বোঝা উচিত ছিল। কিন্তু যেভাবেই হোক, সব ভুলের দায় আমার ওপর চাপানো হয়। কারণ, আমার নাম প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত।’  প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সেটা শোধ না করা নিয়ে সাকিবের কথা, ‘লোকের শতকোটি টাকা ঋণ বকেয়া পড়ছে। আর এখানে তো মাত্র সাড়ে ৪ কোটি টাকা। আমার ৩৫ শতাংশ শেয়ার বিবেচনায় আমাকে মাত্র ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু আমার সম্পত্তি যেভাবে ক্রোক করা হয়েছে, সেটাকে স্বাভাবিক মনে করি না।’  ব্যাংকের কাছ থেকে টাকা পরিশোধের নোটিশ পেয়েও টাকা না দেওয়ায় এবং চেক প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় গত মার্চে সাকিবের সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত।  সাকিব আল হাসান  সাকিবের কাছে এরপর তার শেয়ারবাজারের ব্যবসা নিয়ে জানতে চাওয়া হয়।

গত বছর নভেম্বরে সংবাদমাধ্যম জানায়, শেয়ার ব্যবসায়ে কারসাজির জন্য ৫০ লাখ টাকা জরিমানা হয়েছে সাকিবের। এই ব্যবসা নিয়ে সাকিব বলেছেন, ‘যদি কেউ দেখাতে পারেন আমি নিজে একটি কারসাজি করেছি, তাহলে আমার যা কিছু আছে, সব দিয়ে দেব। বাংলাদেশের স্টক মার্কেটে কীভাবে কারসাজি করতে হয়, আমি জানি না এবং আমার ফোনে কোনো ট্রেডিং অ্যাপও নেই।’  সাকিব এরপর বলেন, ‘আমি একজনকে টাকা দিয়েছিলাম আমার পক্ষ থেকে বিনিয়োগের জন্য, কিন্তু পুরো টাকাটাই লোকসানে যায়। কেউ যদি দেখাতে পারেন, আমি শেয়ারবাজার থেকে এক টাকাও তুলে নিতে পেরেছি, তাহলে আনন্দের সঙ্গে নিজের যা কিছু আছে, সব তাদের দিয়ে দেব।’  

সাকিব দাবি করেছেন, ‘আমি বিষয়টি থেকে পালিয়ে থাকতে চাই না। সামনে এসে সবকিছু্র সমাধান করতে চাই। এই সুযোগ আমার প্রাপ্য। তারা এই সুযোগ আমাকে দিলে ভালো লাগবে...আমার মনে হয় না, আমি কোনো অপরাধ করেছি। তখন পরিস্থিতি অন্য রকম ছিল। এখন সবকিছু যখন শান্ত হয়ে এসেছে, লোকে বুঝতে পারছে, শুধু একটি ছবির জন্য কারও এমন শাস্তি হওয়া অনুচিত।’  তাহলে তিনি কি তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত? সাকিবের উত্তর, ‘অবশ্যই। তাদের যেমন তথ্যই প্রয়োজন হোক, আমি তা সরবরাহ করতে প্রস্তুত—কাঁকড়ার খামার ও শেয়ার ব্যবসা নিয়ে। যদি তারা মনে করেন, পরিচ্ছন্ন তদন্তের জন্য আমাকে (দেশে) আসতে হবে, আমি খুশিমনে সেটা করতে চাই। আমি কিছুই লুকাচ্ছি না কিংবা কোনো কিছু চুরি করে পালিয়ে যাচ্ছি না।’