NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

মালয়েশিয়ার রাজা ইব্রাহিমের সঙ্গে সি চিন পিংয়ের সাক্ষাৎ


আন্তর্জাতিক : প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম

মালয়েশিয়ার রাজা ইব্রাহিমের সঙ্গে সি চিন পিংয়ের সাক্ষাৎ

 

 


মালয়েশিয়া সময় গত (বুধবার) সকালে, দেশটির জাতীয় প্রাসাদে মালয়েশিয়ার রাজা ইব্রাহিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। 

এদিন সকালে রাজা ইব্রাহিম জাতীয় প্রাসাদ স্কয়ারে সি চিন পিংয়ের সম্মানে একটি স্বাগত অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। দুই নেতা পর্যালোচনা স্ট্যান্ডে পা রাখেন, সামরিক ব্যান্ডদল চীন ও মালয়েশিয়ার জাতীয় সঙ্গীত বাজায় এবং ২১বার তোপ দাগানো হয়। সি চিন পিং গার্ড অফ অনার পরিদর্শন করেন।

সাক্ষাত্কারে প্রেসিডেন্ট সি বলেন, চীন ও মালয়েশিয়া ভালো প্রতিবেশী, ভালো বন্ধু ও ভালো অংশীদার। আমরা দু’দেশই একে অপরের সঙ্গে পরিবারের মতোই ঘনিষ্ঠ। চীন-মালয়েশিয়া সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদী এবং স্থিতিশীল উন্নয়নের দিকনির্দেশনা দিতে, যৌথভাবে একটি উচ্চ-স্তরের কৌশলগত চীন-মালয়েশিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ে তুলতে এবং চীন-মালয়েশিয়া সম্পর্কের জন্য একটি নতুন ‘সোনালি ৫০ বছর’ শুরু করতে তিনি রাজা ইব্রাহিমের সঙ্গে কাজ করতে চান।

প্রেসিডেন্ট সি জোর দিয়ে বলেন, চীন ও মালয়েশিয়ার উচিত পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা আরও গভীর করা এবং একে অপরের মূল স্বার্থ এবং প্রধান উদ্বেগ সম্পর্কিত বিষয়ে একে অপরকে সমর্থন করা। দু’পক্ষের উচিত পূর্ব উপকূল রেলওয়ের মতো বড় প্রকল্পগুলি সুষ্ঠুভাবে নির্মাণ করা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল অর্থনীতি ও সবুজ অর্থনীতির মতো ভবিষ্যতের শিল্প সহযোগিতার ক্রমবর্ধমান এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। চীন আরও উচ্চমানের মালয়েশিয়ান কৃষিপণ্য চীনা বাজারে প্রবেশে স্বাগত জানায় এবং চীনা কোম্পানিগুলিকে মালয়েশিয়ায় বিনিয়োগ ও ব্যবসা করতে উৎসাহিত করে। 


চীন মালয়েশিয়ার সঙ্গে আরও সাংস্কৃতিক, পর্যটন ও শিক্ষাগত সহযোগিতা চালিয়ে যেতে চায়, যাতে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি পায়। চীন আসিয়ানের পালাক্রমিক সভাপতি রাষ্ট্র হিসেবে মালয়েশিয়ার কাজকে সমর্থন করে এবং বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন উদ্যোগ, বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা উদ্যোগ এবং বিশ্ব সভ্যতা উদ্যোগ বাস্তবায়ন, গ্লোবাল সাউথের সাধারণ উন্নয়নকে উত্সাহিত করতে এবং অঞ্চল ও বিশ্বের জন্য আরও নিশ্চয়তা ও ইতিবাচক শক্তি যোগাতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে কাজ করতে চায়।

রাজা ইব্রাহিম বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মালয়েশিয়া সফর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা মালয়েশিয়া-চীন সম্পর্কের উচ্চ স্তরের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মালয়েশিয়া সফর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে ব্যাপকভাবে উন্নত করবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জোরালো বিকাশকে উত্সাহিত করবে। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের দূরদর্শিতা এবং চীনা জনগণের কঠোর পরিশ্রমের কারণে চীন অতুলনীয় উন্নতি অর্জন করেছে।

 

মালয়েশিয়া চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে অনেক গুরুত্ব দেয়। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন যাই হোক না কেন, মালয়েশিয়া চীনের সঙ্গে পারস্পরিক সুবিধার জন্য কাজ করবে এবং উচ্চ-স্তরের কৌশলগত অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ে তোলার চেষ্টা করবে। আসিয়ানের পালাক্রমিক সভাপতি রাষ্ট্র এবং আসিয়ান-চীন সম্পর্কের সমন্বয়কারী হিসেবে, মালয়েশিয়া আসিয়ান-চীন সম্পর্কের বৃহত্তর উন্নয়ন এবং যৌথভাবে একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যত গড়ে তোলার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সাক্ষাতের পর, সি চিন পিং রাজা ইব্রাহিম আয়োজিত স্বাগত ভোজসভায় যোগ দেন।

সূত্র : জিনিয়া-তৌহিদ-ফেই, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।