NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

চীন ‘বিশ্বের কারখানা’ থেকে ‘উদ্ভাবনের উৎস’


আন্তর্জাতিক : প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম

চীন ‘বিশ্বের কারখানা’ থেকে ‘উদ্ভাবনের উৎস’

 

সম্প্রতি চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশী বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ করেছে। সামগ্রিকভাবে দেখা যায়, প্রথম তিন মাসে, দেশজুড়ে নতুন প্রতিষ্ঠিত বিদেশী-বিনিয়োগকৃত শিল্পউদ্যোগের সংখ্যা ১২ হাজার ৬০৩টি, যা গত বছরের অনুরূপ সময়ের চেয়ে ৪.৩% বৃদ্ধি পেয়েছে; ব্যবহৃত বিদেশী মূলধনের প্রকৃত পরিমাণ গত বছরের অনুরূপ সময়ের চেয়ে ১০.৮ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২৬৯.২৩ বিলিয়ন রেনমিনপিতে দাঁড়িয়েছে। 


সাম্প্রতিক কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্র শুল্কের অপব্যবহার করেছে, বিশেষ করে চীনের উপর অস্বাভাবিকভাবে উচ্চশুল্ক আরোপ করেছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে ব্যাহত করেছে এবং অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। কিছু বিদেশি বিনিয়োগকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান অপেক্ষা করার কৌশল গ্রহণ করেছে। অন্য দিকে চীন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, চীন সংস্কার এবং উন্মুক্তকরণের অগ্রগতিতে অবিচলভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, উন্মুক্তকরণের দরজা কেবল বিস্তৃত থেকে আরও বিস্তৃততর হবে এবং বিদেশী বিনিয়োগ ব্যবহারের নীতি পরিবর্তিত হয়নি এবং পরিবর্তিত হবে না, যা বিশ্বকে মূল্যবান নিশ্চয়তা দিয়েছে।


সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, চীনে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের উপর রিটার্নের হার প্রায় ৯ শতাংশ, যা বিশ্বের শীর্ষ স্থানে। উচ্চ রিটার্নের পিছনে রয়েছে চীনের অতি-বৃহৎ-আকারের বাজার এবং ভোগের আপগ্রেডের ফলে আনা বিশাল সুযোগ। ঐতিহ্যবাহী ভোগের পাশাপাশি চীনের পরিষেবা ভোগের প্রবৃদ্ধির বিশাল সুযোগ রয়েছে। 


চীনা বাজারের সুযোগকে গভীরভাবে কাজে লাগানোর জন্য বিদেশী কোম্পানিগুলোর মূল চালিকা শক্তি হল প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন। বর্তমানে, বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনী ক্লাস্টারের মধ্যে চীনের একাই রয়েছে ২৬টি, যা টানা দুই বছর ধরে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে; মোট বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীর সংখ্যা প্রায় ২ কোটি, যা জি-৭ গোষ্ঠীর দেশগুলোর একই রকম প্রতিভার মোট সংখ্যার সমান।


প্রথম প্রান্তিকে, চীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ নানা ক্ষেত্রে ক্রমাগত সাফল্য অর্জন করেছে, যা বিশ্বকে অবাক করেছে। ‘বিশ্বের কারখানা’ থেকে ‘উদ্ভাবনের উৎস’, ‘মেড ইন চায়না’ থেকে ‘স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং ইন চায়না’ পর্যন্ত, চীন বিদেশী কোম্পানিগুলোর জন্য বৃহত্তর উন্নয়নের সুযোগ নিয়ে এসেছে।

সূত্র : লিলি-হাশিম-তুহিনা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।