NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

মার্কিন নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যপূর্ণ আচরণ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম

মার্কিন নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যপূর্ণ আচরণ

সম্প্রতি মার্কিন সরকার বিদেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোকে শিক্ষার্থী-ভিসার সাক্ষাৎকার স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পোস্ট পর্যালোচনা করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানায়। চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র সিজিটিএন এ সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে নেটিজেনদের জন্য একটি জনমত জরিপ চালায় সম্প্রতি। 

জরিপের ফল অনুসারে, ৮২.১ শতাংশ উত্তরদাতা একাডেমিক স্বাধীনতার ওপর মার্কিন প্রশাসনের হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা ও নিন্দা জানান। তাঁরা বিশ্বাস করেন যে, এটি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার গুরুতর লঙ্ঘন ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যপূর্ণ আচরণ। এ ছাড়া, আদর্শ ও জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে অযৌক্তিকভাবে চীনা ছাত্র-ছাত্রীদের ভিসা বাতিল করার বিষয়টিরও তীব্র সমালোচনা করেছেন নেটিজেনরা। ৮৩ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, মার্কিন পদক্ষেপ চীনা শিক্ষার্থীদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ে বাধা সৃষ্টি করেছে।

জরিপ অনুসারে, ৮২.৫ শতাংশ উত্তরদাতা সামাজিক সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে চরম চাপ প্রয়োগ ও প্রতিশোধ নেওয়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য মার্কিন সরকারের সমালোচনা করেন; ৮২.৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, এই ডিক্রিগুলো মার্কিন উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ভিত্তিকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে এবং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা, একাডেমিক স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতাকে সীমিত করেছে; ৮৮.৯ শতাংশ উত্তরদাতারা মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব ও শিক্ষার্থীদের বৈধ অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষার জন্য আইনি অস্ত্র ব্যবহার করার বিষয়টিকে সমর্থন করেন।

এ ছাড়া, ৮৬.৭ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, মার্কিন সরকারের বারবার বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে নীতি ও বিবৃতি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুনাম এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের আকর্ষণকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে; ৮৮.৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলো স্পষ্টতই রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও এটি তাদের ‘স্বাধীনতা ও উন্মুক্ততা’ নীতির লঙ্ঘন। 

জরিপটি সিজিটিএন-এর ইংরেজি, স্প্যানিশ, ফরাসি, আরবি এবং রুশ ভাষা প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়। প্রকাশের ২৪ ঘন্টার মধ্যে মোট ৬৮৮৬ জন বিদেশী নেটিজেন জরিপে অংশগ্রহণ করেন। সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।