NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

১৮৫ বছরের সংরক্ষিত বনমহিষের শিং নওগাঁর পাহাড়পুর যাদুঘরে হস্তান্তর


খবর   প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৪:০১ পিএম

১৮৫ বছরের সংরক্ষিত বনমহিষের শিং নওগাঁর পাহাড়পুর যাদুঘরে হস্তান্তর

এম আব্দুর রাজ্জাক,বগুড়া থেকে:

প্রায় ১৮৫ বছরের সংরক্ষিত একটি বনমহিষের শিংসহ মাথার করোটি নওগাঁর বদলগাছীর পাহাড়পুর (সোমপুর) বৌদ্ধ বিহার যাদুঘরে হস্তান্তর করা হয়েছে।  (৩১ জুলাই,বৃহস্পতিবার ) দুপুরে নওগাঁ শহরের কালিতলা মহল্লার অধ্যাপক (অব:) ফজলুল হক নওগাঁর বদলগাছীর পাহাড়পুর যাদুঘরের কাস্টোডিয়ান ফজলুল করিমের নিকট এটি হস্তান্তর করেন।  অধ্যাপক (অব:) ফজলুল হক জানান, নওগাঁর দুবলহাটীর রাজা রায় বাহাদুর হরনাথ রায় চৌধুরী সিলেটে জমিদারী ক্রয় করার পর তিনি তাঁর বিস্তৃত জমিদারী পরিদর্শন করার জন্য সিলেট যান। সেখানে তিনি অন্যান্য প্রাণীর সাথে একটি বনমহিষ শিকার করেন। সিলেটে কিছুদিন থাকার পর তিনি দুবলহাটী রাজ প্রাসাদে ফিরে আসার সময় শিকার করা বিভিন্ন প্রাণীর মাথার করোটি সাথে নিয়ে আসেন। সাথে নিয়ে আসেন এই বনমহিষটির মাথার করোটিও।

পরবর্তীতে ১৮৯১ সালে তিনি প্রয়াত হলে তার স্থলে তার পুত্র রাজা কৃঙ্করীনাথ রায় চৌধুরী জমিদারী প্রাপ্ত হন।  দুবলহাটীর শিকারপুরের শৈলকোপা গ্রামের জোতদার সাকিম উদ্দীন শেখের সাথে রাজা কৃঙ্করীনাথ রায় চৌধুরীর ঘনিষ্ঠতা ছিল। সেই ঘনিষ্ঠতার সুবাদে রাজা কৃঙ্করীনাথ রায় চৌধুরী ১৯৩৫ সালের দিকে এই বনমহিষটির মাথার করোটি তার ঘনিষ্টতম বাল্যবন্ধু সাকিম উদ্দীন শেখকে উপহার স্বরুপ দিয়েছিলেন। সাকিম উদ্দীন শেখের মৃত্যুর পর তার পুত্র আব্দুল গনি শেখ মহিষের মাথাটি সংরক্ষন করছিলেন।আব্দুল গনি শেখের মৃত্যর পর তার পুত্র অধ্যাপক ফজলুল হক মাথাটি তার সংগ্রহে রেখেছিলেন।  পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার যাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মুহাম্মদ ফজলুল করিম বলেন, এই মহিষের করোটিটি আমাদের জন্য একটি প্রাপ্তি হল। এটি যাদুঘরের সংরক্ষণ করা হবে। দর্শনার্থীরা এটি দেখে অতিত ইতিহাস জানবে।  এ ধরনের কোন বস্তু, পুরাকীর্তি নিদর্শন কারো কাছে থাকলে সেগুলো পাহাড়পুর যাদুঘরে হস্তান্তর করার আহবান জানান তিনি।