NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬ | ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
Logo
logo

নিহত পুলিশ অফিসার দিদারুল ইসলামের পিতা’র অভিযোগ বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনসুলেট তার খোঁজ খবরও নেয়নি


সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রকাশিত:  ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:২৮ এএম

নিহত পুলিশ অফিসার দিদারুল ইসলামের পিতা’র অভিযোগ বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনসুলেট তার খোঁজ খবরও নেয়নি

নিউইয়র্ক (ইউএনএ): নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটানের এক বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত বাংলাদেশী পুলিশ অফিসার দিদারুল ইসলাম রতনের পিতা আব্দুর রব আক্ষেপের সাথে বলেন, দিদারুল ইসলাম নিহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনসুলেট অফিসের কেউ তার সাথে কোন যোগাযোগ করেনি বা খোঁজ খবরও নেয়নি। খবর ইউএনএ’র।

মঙ্গলবার (৫ আগষ্ট) বিকেলে দিদারুল ইসলামের বাসভবনে বিভিন্ন মিডিয়া-কে সাক্ষাৎ দেয়ার পর টাইম টিভির সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, আমি আমার দুই নাতির জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। যেন তাদেরকে আমি মানুষ করতে পারি। পাশাপাশি তিনি বলেন, ছেলের জন্য যে সম্মান আমি পেয়েছি, সেজন্য বাবা হিসেবে আমি গর্বিত। এসময় দিদারুল ইসলামের স্ত্রী, দুই পুত্র ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, নিউইয়র্কের সিটির মিডটাউন ম্যানহাটানে গত ২৮ জুলাই সোমবার বিকেল সাড়ে ছয়টার দিকে এক বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত এনওয়াইপিডি’র বাংলাদেশী পুলিশ অফিসার মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম রতন (৩৬) সহ ৪জন নিহত হন। ম্যানহাটান শহরের ৫১ ও ৫২ স্ট্রীটের মাঝামাঝি ৩৪৫ পার্ক এভিনিউ এলাকায় একটি বহুতল ভবনে এই ঘটনা ঘটে। নিহত দিদারুল ইসলামের রতন বাড়ী মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া সদর উপজেলাধীর পৌর এলাকার মাগুড়া। গত ৩১ জুলাই বৃহস্পতিবার ব্রঙ্কসের পার্কচেষ্টার জামে মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে গভর্ণর ক্যাথি হোকুল, প্রাক্তন  গভর্ণর কমো, মেয়র প্রার্থী জোহ্রান মামদানী, মেয়র এরিক অ্যাডামস ও পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা জানান। নিউইয়র্কের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই জানাজায় ১৫  হাজার পুলিশ সদস্য সহ ২৫/৩০ হাজার মানুষ অংশ নেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিমত।