NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন- কাজী মন্টু


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন- কাজী মন্টু

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতিমূলক তৎপরতায় মনোযোগী। অন্যদিকে, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের পালিয়ে যাওয়া নেতানেত্রী এবং ১৪-দলভুক্ত তাদের অনুগামীরা নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠে নামার প্রস্তুতি শুরু করেছে।  তবে আসন্ন নির্বাচনের আগে সবচেয়ে বেশি নজর রাখতে হবে সচিবালয়ের অভ্যন্তরে কর্মরত দলীয় ক্যাডার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের ওপর। তারা গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল বারবার অন্তর্বর্তী সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে, যাতে এইসব কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টারা এ বিষয়ে বরাবরই নীরব থেকেছেন। গত বছরের ৫ই আগস্ট যারা পালিয়ে গেছে এবং কয়েকজন বরখাস্ত হওয়া ছাড়া বাকিরা এখনও বহাল তবিয়তে সচিবালয়ের সব পদ দখল করে আছে; আর তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে উপদেষ্টারা। এই লুকিয়ে থাকা দুষ্টচক্র এখন মরিয়া হয়ে মরণকামড় দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে আওয়ামী লীগারদের সরব উপস্থিতি। প্রধান উপদেষ্টা বারবার ঘোষণা দিচ্ছেন, তিনি নাকি দেশকে “সর্বোত্তম” একটি নির্বাচন উপহার দেবেন। কিন্তু তার এই বক্তব্যে স্পষ্ট বোঝা যায়, তিনি এখনো উপলব্ধি করতে পারছেন না—হাসিনার আমলাদের ছায়াতলে থেকে তিনি কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবেন না।

সবচেয়ে বিস্ময় ও হতাশা বোধ করি যখন দেখি—রাজনৈতিক অগ্রভাগের কঠিন চ্যালেঞ্জগুলোকে উপেক্ষা করে তারা আক্রমণাত্মকভাবে নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়িতে মেতে উঠেছে। ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীগুলোর দৃশ্যমান ষড়যন্ত্র ক্ষমতার মোহে অন্ধ ইসলামপন্থী দলগুলো এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির অর্বাচীন নেতা-কর্মীদের বয়ানে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। তাদের মুখে এখন ‘জুলাইয়ের চেতনা’ পুরোপুরি নিজেদের আখের গোছানোর হাতিয়ার মাত্র। তারা ভুলে যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের উত্থান মানেই তাদের জন্য মহাবিপদ।