NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬ | ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
Logo
logo

শ্রী চিন্ময়ের ৯৪তম জন্মদিনে সাহিত্য একাডেমির বিশেষ অনুষ্ঠান


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:২৬ এএম

শ্রী চিন্ময়ের ৯৪তম জন্মদিনে সাহিত্য একাডেমির বিশেষ অনুষ্ঠান

  আকবর হায়দার কিরন  

  নিউ ইয়র্ক, ২৪ অগাস্ট:  বিশ্বশান্তির দূত, কবি, দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী চিন্ময়ের ৯৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নিউ ইয়র্কের শ্রী চিন্ময় মেডিটেশন সেন্টার-এ এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আমন্ত্রিত সংগঠন হিসেবে অংশগ্রহণ করে সাহিত্য একাডেমি।  অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই অনুরাগীরা অনুভব করেন এক অনন্য আবহ—চারদিকে নীরবতা, সুশৃঙ্খলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাশীলতা। দেয়ালে টাঙানো শ্রী চিন্ময়ের বিভিন্ন সময়ের আলোকচিত্র যেন মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন, তিনি আজও সবার মাঝেই উপস্থিত আছেন।  অনুষ্ঠান শুরু হয় সন্ধ্যা সাতটায়। সঞ্চালনা করেন নীরা কাদরী। সাহিত্য একাডেমির পরিচালক জনাব মোশাররফ হোসেন গুরু শ্রী চিন্ময়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেন্টারের পরিচালক রঞ্জনা কে. ঘোষ আন্তরিক ও আবেগঘন ভাষণে অতিথিদের স্বাগত জানান।  কবিতার মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শামস আল মমীন, কাজী রফিক, বেনজির শিকদার, এম. এ. সাদেক, শাহীন ইবনে দেলোয়ার, সহুল আহমেদ, স্বপন বিশ্বাস, তাহমিনা খান, সুমি বেগ এবং আকবর হায়দার কিরন। কবিতা পাঠ শেষে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপিকা হোসনে আরা বেগম এবং অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা সুরীত বড়ুয়া।   সঙ্গীত পরিবেশনায় অংশ নেন বাংলাদেশি বৌদ্ধ কমিউনিটির শিল্পী প্রজ্ঞা বড়ুয়া, আঁখি বড়ুয়া ও প্রেরণা বড়ুয়া। এছাড়া ছিল ‘পরি’র বিশেষ পরিবেশনা। আর বিশেষ আকর্ষণ ছিল মেডিটেশন সেন্টারের শিল্পীদের পরিবেশিত সমবেত কণ্ঠ।  অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে ও সমাপ্তির পর অতিথিদের জন্য আন্তরিক আপ্যায়নের ব্যবস্থা ছিল, যা উপস্থিত সবার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এছাড়া সেন্টারের একজন পরিচালক শ্রী চিন্ময়ের ওপর আয়োজিত বিশ্বজনীন আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখান অতিথিদের। বিদায়ের আগে নীরা কাদরী ও আকবর হায়দার কিরন ভিজিটরস বুকে তাঁদের অনুভূতি লিখে রাখেন।  উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণকারী শ্রী চিন্ময় সারা জীবন বিশ্বশান্তি, ধ্যান ও সঙ্গীত প্রচারে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। বর্তমানে তাঁর সমাধি এই সেন্টারেই অবস্থিত। শত শত অনুরাগীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান ভক্তি, শ্রদ্ধা ও আধ্যাত্মিকতার এক গভীর আবহ তৈরি করে, যা সবার মনে অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।