NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬ | ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
Logo
logo

আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ সনদের প্রতি অটল চীন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:৩৭ এএম

আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ সনদের প্রতি অটল চীন

বর্তমান অস্থির আন্তর্জাতিক দৃশ্যপটের মধ্যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জাতিসংঘ কেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক আইনের উপর ভিত্তি করে জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতির মৌলিক নিয়মাবলী বজায় রাখতে হবে। 

গতকাল (সোমবার) ‘জাতিসংঘ সনদ এবং সংস্থার ভূমিকা শক্তিশালীকরণ সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন’ শীর্ষক ৮০তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ষষ্ঠ কমিটির সভায় ভাষণে চীনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি কেং শুয়াং এ সব কথা বলেছেন।  
কেং শুয়াং বলেন, এই বছর বিশ্ব ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধে বিজয়ের ৮০তম বার্ষিকী এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠারও ৮০তম বার্ষিকী। এটি ইতিহাস স্মরণ করা এবং ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। জাতিসংঘ সনদ যুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছিল, সমসাময়িক আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তি তৈরি করেছিল এবং জাতিসংঘের মূল আকাঙ্ক্ষা এবং লক্ষ্য বহন করে।

কেং শুয়াং বলেন, কিছুদিন আগে চীন একটি বৈশ্বিক শাসন উদ্যোগ পেশ করেছে। তাতে সার্বভৌম সমতা, আন্তর্জাতিক আইনের শাসন, বহুপাক্ষিকতা, জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং বাস্তব ফলাফল অর্জনের আহ্বান জানানো হয়েছে। চীন বৈশ্বিক শাসন উদ্যোগের নির্দেশে, সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিগুলোকে সমুন্নত রাখতে, ব্যাপক পরামর্শ, যৌথ অবদান এবং বৈশ্বিক শাসনে ভাগ করা সুবিধার ধারণা অনুশীলন করতে, আরও ন্যায়সঙ্গত বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এবং মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ে তোলার দিকে যৌথভাবে এগিয়ে যেতে সকল পক্ষের সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক।

কেং শুয়াং জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা সনদের প্রতি সমস্ত দেশের প্রদত্ত একটি জোরালো অঙ্গীকার। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যৌথভাবে সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিগুলো মেনে চলতে হবে। চীন পুনর্ব্যক্ত করে যে, নিরাপত্তা পরিষদের উচিত প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোর রাজনৈতিক সমাধানের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা, সনদের উদ্দেশ্য ও নীতি দ্বারা পরিচালিত হওয়া, অন্যান্য সমস্ত শান্তিপূর্ণ উপায় ব্যবহার করা এবং সাধারণ মানুষ এবং তৃতীয় দেশগুলোর উপর প্রভাব কমানো। সকল পক্ষের উচিত নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবগুলো সম্পূর্ণ এবং কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা এবং নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়াই বা অতিক্রম না করে আরোপিত একতরফা নিষেধাজ্ঞার দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করা। একটি দায়িত্বশীল প্রধান দেশ হিসেবে, চীন সর্বদা আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি প্রচারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইউক্রেনীয় সংকট এবং ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাতের মতো হটস্পট বিষয়গুলোতে, চীন একটি বস্তুনিষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে, সক্রিয়ভাবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় জড়িত এবং সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান প্রচারে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করেছে। 

সূত্র:রুবি-হাশিম-সুবর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।