NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইতিবাচক পথে: দুই নেতার মূল্যায়ন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম

চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইতিবাচক পথে: দুই নেতার মূল্যায়ন

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেইজিং সময় ২৩ নভেম্বর, (সোমবার) রাতে, ফোনে কথা বলেন। 

এ সময় সি চিন পিং বলেন, “গত মাসে আমরা দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে বৈঠক করি এবং বিভিন্ন ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্যে পৌঁছাই, যা চীন-মার্কিন সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন চালিকাশক্তি যুগিয়েছে এবং বিশ্বের কাছে ইতিবাচক সংকেত পাঠিয়েছে। বুসান বৈঠকের পর থেকে চীন-মার্কিন সম্পর্ক মূলত  স্থিতিশীল আছে ও তা ভালোর দিকে যাচ্ছে এবং দু’দেশ ও আন্তর্জাতিক সমাজ এ প্রবণতাকে স্বাগত জানিয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় যে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করলে উভয়ের লাভ এবং লড়াই করলে উভয়েরই ক্ষতি। চীন ও যুক্তরাষ্ট্র পরস্পরকে সাফল্য ও সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করতে পারে, যা একটি বাস্তবতা। দু’পক্ষের উচিত, এ প্রবণতা বজায় রেখে  সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া; সাম্য এবং পারস্পরিক সম্মান ও কল্যাণের ভিত্তিতে, সহযোগিতা বাড়ানো ও সমস্যা কমানো, আর অগ্রগতি অর্জন করা; এবং দু’দেশের মানুষ ও বিশ্বের মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনা।” 

ফোনালাপে তাইওয়ান ইস্যুতে সি চিন পিং চীনের অবস্থান আবারও তুলে ধরে বলেন, চীনের কোলে তাইওয়ানের প্রত্যাবর্তন  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ফ্যাসিবাদ ও সামরিকবাদের বিরুদ্ধে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র একসময় একসাথে লড়াই করেছিল এবং দু’পক্ষের উচিত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অর্জনকে রক্ষা করা।  

জবাবে ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মহান একজন নেতা এবং বুসানে দু’জনের বৈঠক ছিল মনোরম। দু’দেশের সম্পর্ক নিয়ে প্রেসিডেন্ট সি’র সাথে তিনি সম্পূর্ণ একমত হন। 

ট্রাম্প বলেন, বুসান বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য বাস্তবায়ন করছে দু’পক্ষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ে চীন বড় অবদান রেখেছে এবং চীনের কাছে তাইওয়ান ইস্যুর গুরুত্ব আমেরিকা বোঝে। 

এ সময় দু’নেতা ইউক্রেন সংকট নিয়েও কথা বলেন। সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, শান্তি অর্জনের সকল প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে চীন এবং আশা করা যায়, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো মতভেদ কমিয়ে যত দ্রুত সম্ভব একটি ন্যায্য, স্থায়ী ও কার্যকর চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিদ্যমান সংকটের সমাধান করবে। 

সূত্র:শিশির-আলিম-মুক্তা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।