NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

চীনা জনগণের ক্ষতির দায় এড়াতে পারে না জাপান: বেইজিং


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০২:২৫ পিএম

চীনা জনগণের ক্ষতির দায় এড়াতে পারে না জাপান: বেইজিং

রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন-সিডব্লিউসিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রসমূহের ৩০তম সম্মেলন ২৬ নভেম্বর নেদারল্যান্ডের হেগে রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করে। চীনা প্রতিনিধিদল আবারও জাপানকে কনভেনশনের অধীনে তার বাধ্যবাধকতা ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব সম্পূর্ণরূপে এবং আন্তরিকভাবে পালন করার, চীনে পরিত্যক্ত রাসায়নিক অস্ত্র মোকাবেলার প্রক্রিয়া দ্রুততর করার এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চীনা জনগণের জন্য একটি পরিষ্কার পরিবেশ পুনরুদ্ধার করার ও একটি ‘রাসায়নিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব’ তৈরি করার তাগিদ দিয়েছে।

জাপানি প্রতিনিধি সেদিন সম্মেলনে পরিত্যক্ত রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের অবস্থা তুলে ধরার সময় অন্তর্নিহিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে গিয়ে একতরফাভাবে ধ্বংসের অগ্রগতি এবং বিনিয়োগের উপর জোর দেন। চীনা প্রতিনিধিদলের প্রধান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিভাগের উপ-মহাপরিচালক ওয়াং তা সুয়ে ঘটনাস্থলেই এটি খণ্ডন করেছেন।

ওয়াং তা সুয়ে উল্লেখ করেছেন যে, পরিত্যক্ত রাসায়নিক অস্ত্র ছিল চীনের বিরুদ্ধে আগ্রাসী যুদ্ধের সময় জাপানি সামরিক বাহিনীর সংঘটিত গুরুতর অপরাধগুলোর মধ্যে একটি, যা চীনা জনগণের অপূরণীয় এবং বিশাল ক্ষতি করেছে এবং আজও চীনা জনগণের জীবন, সম্পত্তি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। কনভেনশন অনুসারে, জাপানের ২০০৭ সালের মধ্যে পরিত্যক্ত রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস সম্পন্ন করা উচিত ছিল, কিন্তু এ পরিকল্পনা চারবার বিলম্বিত হয়েছে। সমস্যাটি হল জাপানের অপর্যাপ্ত মনোযোগ এবং বিনিয়োগ, এবং পুঁতে রাখা অস্ত্র সম্পর্কে সক্রিয়ভাবে কোনও মূল্যবান সূত্র প্রদানে ব্যর্থতা। চীনের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের সময় জাপানি সামরিক বাহিনীর ঐতিহাসিক অপরাধ অস্বীকার করা যায় না, পরিত্যক্ত জাপানি রাসায়নিক অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রকৃত হুমকি অস্বীকার করা যায় না। কনভেনশনের অধীনে জাপানের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা এড়ানো যায় না। 

সূত্র:সিএমজি।