NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

ছেংতুতে চীন-ফ্রান্স প্রেসিডেন্টদের সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম

ছেংতুতে চীন-ফ্রান্স প্রেসিডেন্টদের সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক

চীনের সিছুয়ান প্রদেশের ছেংতু শহরের তু চিয়াং ইয়ানে ৫ ডিসেম্বর  চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাকখোঁ বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করেন।

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাকখোঁকে তু চিয়াং ইয়ান জলসেচ প্রকল্পের ইতিহাস ও তাৎপর্য সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বলেন, তু চিয়াং ইয়ান হলো বিশ্বজুড়ে এখনও ব্যবহৃত হচ্ছে, এমন একমাত্র প্রাচীন জলসেচ প্রকল্প। এটি মানবজাতি ও প্রকৃতির মধ্যে সুষম সহাবস্থানের অন্যতম সফল ও প্রাচীনতম অনুশীলন। এর নির্মাণ প্রক্রিয়া চীনাদের আত্ম-উন্নতির চেতনা, অধ্যবসায় এবং অগ্রগামী চেতনার সম্পূর্ণ প্রতিফলন ঘটায়। তিনি বলেন, “প্রতিবার আমি তু চিয়াং ইয়ানে এসে পূর্বপুরুষদের ভৌগোলিক অবস্থা অনুযায়ী বুদ্ধিমত্তা দিয়ে জলের পরিচালনা এবং এর মাধ্যমে জনগণের লাভবান হওয়ার মহত্ত্ব অনুভব করতে পারি। এ থেকে দেশ পরিচালনার অনেক জ্ঞান অর্জন করা যায়। ফ্রান্সেরও অনুরূপ চেতনা রয়েছে, তাই চীন ও ফ্রান্স অন্য দেশের চেয়ে একে অপরের প্রতি আরও ভালোভাবে বুঝতে পারে এবং সম্মান করতে পারে।"

জবাবে ম্যাকখোঁ বলেন, দুই হাজার বছরেরও বেশি আগে নির্মিত জলসেচ প্রকল্পটি এখনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যা চীনা জনগণের প্রজ্ঞা ও কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি আরও যোগ করেন, চীন ও ফ্রান্সের সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং দুই দেশের সহযোগিতা উভয় দেশের জনগণের জন্য কল্যাণ সৃষ্টি করবে।

মতবিনিময়ের সময় সি চিন পিং বলেন, চীন ও ফ্রান্সের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা কেবল দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের 'করমর্দন' নয়, বরং এটি দুটি মহান সভ্যতার সংমিশ্রণ। তিনি বিশ্বাস করেন, চীন ও ফ্রান্স সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে যৌথভাবে বিশ্বের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং মানবজাতির উন্নয়নে আরও বড় অবদান রাখতে পারবে।

দুই রাষ্ট্রপ্রধানই ঘনিষ্ঠ আদান-প্রদান ও যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং যৌথভাবে চীন-ফ্রান্স সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছেন।

সূত্র : শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া-চায়না মিডিয়া গ্রুপ।