NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

আইনের মাধ্যমে জাতীয় উদ্যান ব্যবস্থায় মানসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিত করছে চীন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম

আইনের মাধ্যমে জাতীয় উদ্যান ব্যবস্থায় মানসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিত করছে চীন

চীনের জাতীয় উদ্যানসম্পর্কিত প্রথম আইন ‘জাতীয় উদ্যান আইন’ ১ লা জানুয়ারি,  (বৃহস্পতিবার) থেকে কার্যকর হয়েছে। 

জাতীয় উদ্যান হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র, সবচেয়ে বৈশিষ্ট্যময় প্রাকৃতিক ভূদৃশ্য, সবচেয়ে মূল্যবান প্রাকৃতিক ঐতিহ্য, এবং সবচেয়ে সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের আধার। জাতীয় উদ্যান আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন চীনের জাতীয় উদ্যান ব্যবস্থার আইনি এবং মানসম্মত উন্নয়নের একটি নতুন পর্যায়ের সূচনা করেছে। 

প্রথম দফা পাঁচটি জাতীয় উদ্যান উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জন করেছে। জাতীয় উদ্যানগুলোর বিন্যাস ও প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আইনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, জাতীয় উদ্যানগুলোর জন্য একটি স্থানিক বিন্যাস পরিকল্পনা প্রণয়ন করা উচিত এবং প্রাকৃতিক পরিবেশগত স্থানের বন্টন ও পদ্ধতিগত সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর ভিত্তি করে, জাতীয় উদ্যানগুলোর জন্য এলাকা নির্বাচন করা উচিত।

বর্তমান বিশ্বের বৃহত্তম জাতীয় উদ্যানব্যবস্থা তৈরি করছে চীন। তবে, আইন ও বিধি অনুসারে ও বাস্তবতার ভিত্তিতে, সুশৃঙ্খলভাবে নতুন জাতীয় উদ্যান নির্মাণ করা উচিত।

এদিকে, জাতীয় উদ্যানগুলোর আয়তন বিশাল। কীভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশকে রক্ষা এবং সবুজ উন্নয়নের পাশাপাশি নাগরিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়, সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য, কার্যকরী অবস্থান, এবং ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যের ওপর ভিত্তি করে, জাতীয় উদ্যানগুলোকে মূল সুরক্ষিত এলাকা এবং সাধারণ নিয়ন্ত্রণ এলাকায় বিভক্ত করা হয়। পরিবেশগত নিরাপত্তার মূলনীতি রক্ষা করার পাশাপাশি, এটি বৈজ্ঞানিক ব্যবহার ও আবাসিক এলাকা উন্নয়নের জন্য স্পষ্ট স্থানিক সীমানা নির্ধারণ করে এবং প্রাতিষ্ঠানিক নকশায় কঠোর সীমাবদ্ধতা ও নমনীয় নির্দেশনার সমন্বয় সম্ভব করে। 
চীনের জাতীয় উদ্যানগুলোর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সম্পদের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে এবং এগুলোর সুরক্ষার উদ্দেশ্যও ভিন্ন ভিন্ন। ইয়াংজি, ইয়েলো ও ল্যানছাং নদীর উত্স হিসেবে, সানজিয়াংইউয়ান জাতীয় উদ্যান জলসম্পদ সুরক্ষার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে; অন্যদিকে জায়ান্ট পান্ডা এবং উত্তর-পূর্ব বাঘ ও চিতা জাতীয় উদ্যান বিপন্ন প্রজাতি সুরক্ষার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। সেজন্য একক মানদণ্ড একই সাথে সকল জাতীয় উদ্যানকে কার্যকরভাবে রক্ষা করতে পারে না।


আইনটি প্রতিটি জাতীয় উদ্যানের পরিবেশগত ও ভৌগোলিক অবস্থান, প্রাকৃতিক সম্পদ, এবং কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ মূল্যের দিক থেকে অনন্য বৈশিষ্ট্যকে সম্পূর্ণরূপে বিবেচনা করে এবং পৃথক এবং নমনীয় ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা স্পষ্ট করে। বিভিন্ন অঞ্চল প্রকৃত অবস্থার ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা প্রণয়ন করতে পারবে।
জাতীয় উদ্যানগুলো সর্বোচ্চ মানের বাস্তুতন্ত্র হিসাবে, সর্বজনীনভাবে কল্যাণকর পরিবেশগত পণ্য, যা প্রতিটি পরিবারের জন্য উপকারী। জাতীয় উদ্যান গড়ে তোলা কীভাবে নাগরিকদের জন্য বাস্তব সুবিধা বয়ে আনতে পারে?

হাইনান ট্রপিক্যাল রেইনফরেস্ট জাতীয় উদ্যান প্রশাসনের পরিচালক ছেন খাং বলেন, “আমরা গ্রীষ্মমন্ডলীয় রেইনফরেস্ট আর প্রকৃতি, শিক্ষা, বন স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার মতো শিল্পের উন্নয়ন সক্রিয়ভাবে অন্বেষণ করব। পর্যটন অভ্যর্থনা, লোকজ রীতিনীতি প্রদর্শনী, এবং বিশেষ কৃষিপণ্যের মতো পরিষেবা প্রদানের মাধ্যমে, স্থানীয় বাসিন্দাদের আয় বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা হবে।” 

পাশাপাশি, আইনটিতে জনসাধারণকে জাতীয় উদ্যানগুলোতে নির্দিষ্ট দিনে বিনামূল্যে প্রবেশের সুবিধা দিতে এবং জাতীয় উদ্যানসম্পর্কিত স্বেচ্ছাসেবক সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। জনসাধারণকে প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়ার এবং অভিজ্ঞতা লাভের আরও সুযোগ করে দেওয়া, তাদেরকে ‘দর্শক’ থেকে ‘অংশগ্রহণকারী’-তে রূপান্তরিত করা হবে আইনের মূল লক্ষ্য। 

সূত্র :ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।