NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo
কংগ্রেস নেতার বিস্ফোরক মন্তব্য

ট্রাম্প কি মাদুরোর মতো মোদিকেও অপহরণ করবেন!


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ১২:৪২ পিএম

ট্রাম্প কি মাদুরোর মতো মোদিকেও অপহরণ করবেন!

 ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে ভারতে একই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে কি না—এমন মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ভারতের বিরোধীদল কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা পৃথ্বীরাজ চবন। তার মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।   মার্কিন সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করেছে—এমন দাবির প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পৃথ্বীরাজ চবন লেখেন, “ভেনেজুয়েলায় যা ঘটেছে, তেমন কিছু কি ভারতে ঘটবে? ট্রাম্প কি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অপহরণ করবেন?”   এই মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।  চবনের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন জম্মু-কাশ্মির পুলিশের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা এসপি বৈদ। তিনি বলেন, “এটি সমগ্র দেশের জন্যই অপমানজনক মন্তব্য।

ভারতের মতো একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের ক্ষেত্রে এমন কথা হাস্যকর।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই চবনের বক্তব্যকে ‘ব্রেন ডেড’, ‘অশিক্ষিত’, ‘মূর্খ’ বলেও আখ্যায়িত করেন। সমালোচকদের মতে, এমন মন্তব্য ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক অবস্থানকে খাটো করে দেখায়।  দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা পৃথ্বীরাজ চবন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক আরোপ নিয়েও মন্তব্য করেন।  তিনি বলেন, “৫০ শতাংশ শুল্ক থাকলে কার্যত বাণিজ্য সম্ভব নয়। এটি সরাসরি নিষেধাজ্ঞা না দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ করারই একটি কৌশল। এর পুরো বোঝা ভারতকেই বহন করতে হবে।” চবনের মতে, এর ফলে ভারত যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি থেকে আগের মতো লাভবান হতে পারবে না এবং বিকল্প বাজার খুঁজে নেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।  পৃথ্বীরাজ চবন আরও প্রশ্ন তোলেন, “ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যা করেছেন, ভারতের সঙ্গেও যদি তেমন কিছু করেন, তাহলে কী হবে?” এই বক্তব্যকেও দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে আখ্যায়িত করেছেন সমালোচকেরা।  এসপি বৈদ বলেন, “ট্রাম্প ভেনেজুয়েলা ও মাদুরোর সঙ্গে যা করেছেন, তা নরেন্দ্র মোদির ক্ষেত্রেও হওয়া উচিত—এমন ভাবনা পুরো দেশের জন্য অপমানজনক। কথা বলার আগে অন্তত ভাবা উচিত। নাকি এটাই এখন কংগ্রেসের আসল আদর্শ?”