NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

চীন ও বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মধ্যে যৌথভাবে ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগ নির্মাণে দলিল স্বাক্ষর


শুয়েই ফেই ফেই,বেইজিং: প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০২:১৮ পিএম

চীন ও বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মধ্যে  যৌথভাবে ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগ নির্মাণে দলিল স্বাক্ষর

 

চলতি বছর বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থায় নয়া চীনের বৈধ আসন পুনরুদ্ধারের ৫০ বছর বার্ষিকী। ৫০ বছরে চীন ও জাতিসংঘের সহযোগিতা অব্যাহতভাবে জোরদার ও সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে চীন বিশ্বের আবহাওয়া উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। যা একটি বড় দেশের দায়িত্বশীল অনুভূতির প্রতিফলন। আরো বেশি চীনা মানুষ জাতিসংঘ আবহাওয়া বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ পদে ভূমিকা পালন করছেন। তাঁরা চীনের আবহাওয়ার ধারণা বিশ্বের কাছে তুলে ধরছেন। বর্তমানে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সহকারী মহাসচিব চাং ওয়েন চিয়ান তাঁদের মধ্যে একজন।  

১৯৭২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তত্কালীন বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব ডেভিড আর্থার ডেভিস ঘোষণা করেন যে, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থায় চীনের বৈধ আসন আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরুদ্ধার হয়েছে। ১৯৭৩ সালের বসন্তকালে চীনের আবহাওয়া ব্যুরোর উপ-প্রধান চাং নাই চাওকে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচন করা হয়। সেই বছর থেকে নয়া চীন আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সম্মেলন ও অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শুরু করে এবং সবসময় এই সংস্থার নেতৃত্বদানকারী গ্রুপের সদস্য হয়।

চাং ওয়েন চিয়ান চীনের আবহাওয়া ব্যুরোর উপ-প্রধান ছিলেন, ২০১৬ সালে তিনি বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সহকারী মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি বলেন, নয়া চীনের বৈধ আসন পুনরুদ্ধারের পর খুব দ্রুত নিজের দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। সংস্থার প্রযুক্তিগত নিয়ম অনুযায়ী তথ্য শেয়ার করেছে। বিশেষ করে সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের পর থেকে, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থায় চীন আরো ব্যাপক সমর্থন দিয়েছে।

চাং ওয়েন চিয়ান বলেন, বংশপরম্পরায় চীনা আবহাওয়া-বিজ্ঞানীরা চীনা আবহাওয়ার চিন্তাধারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থায় চীনের ভূমিকা আরো গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থায় চীনের নেতৃত্বদানকারী ভূমিকা হল আবহাওয়ার গুরুত্ব ব্যাপকভাবে বাড়ানো, অর্থনীতি ও সমাজের উন্নয়ন বাড়ানো, দেশের টেকসই উন্নয়নের পর্যায়ে উন্নীত করা, জনগণের জীবিকা, স্বাস্থ্য ও নিম্ন কার্বন নির্গমন জীবনের পদ্ধতির মানে উন্নীত করা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার পর্যায়ে উন্নীত করা।

চাং ওয়েন চিয়ান জানান, আবহাওয়ার গুরুত্ব, উন্নত চিন্তাধারা ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করা ছাড়া চীন বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে উন্নয়নশীল দেশ এবং অনুন্নত দেশের আবহাওয়া উন্নয়নে সাহায্য করছে।
তিনি বলেন, চীন আফ্রিকার ৭টি দেশকে ২০ লাখ মার্কিন ডলার সহযোগিতা প্রকল্পে সাহায্য করেছে। যা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ইতিহাসে মাইলফলক ঘটনা। চীন ও বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা যৌথভাবে ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগ নির্মাণে সহযোগিতা দলিল স্বাক্ষর করেছে। বিগত ৩০ বছরে চীন বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মধ্যে সবচেয়ে অনুন্নত দেশের প্রতিনিধিদের চীনে পরিদর্শন ও গবেষণায় আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

জীববৈচিত্র্য জলবায়ুর পরিবর্তনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। আন্তর্জাতিক সমাজ যৌথভাবে জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্যের হ্রাস, সামুদ্রিক অবস্থার অবনতিসহ বিভিন্ন সংকট নিয়ে আলোচনা করে, চীন এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ২০২১ সালে চীন খুনমিং শহরে জাতিসংঘ জীববৈচিত্র্য কনভেনশনের ১৫তম স্বাক্ষরকারী দেশের সম্মেলন আয়োজন করে, যা চীনের দায়িত্বশীল বোধের প্রতিফলন।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব পিটারি তালাস বলেন, ৫০ বছরে চীন বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার বৈশ্বিক ব্যবস্থা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সহযোগিতা এবং ত্রাণ কাজে চীনের অবদান উল্লেখযোগ্য। চীন দিন দিন বিশ্ব আবহাওয়া সামর্থ্য বাড়াচ্ছে এবং বিশ্বের আবহাওয়া উন্নয়নে অবদান রাখছে। চীন আবহাওয়া-বিষয়ক আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সূত্র : সিএমজি