NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬ | ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
Logo
logo

হুট করে প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই: নওগাঁয় তারেক রহমান


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:২৯ এএম

হুট করে প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই: নওগাঁয় তারেক রহমান

এম আব্দুর রাজ্জাক, বগুড়া থেকে :

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে জনগণ ছিল বলেই গত ১৭ বছর এত অত্যাচার সহ্য করেও দলটি আজও টিকে আছে। হুট করে প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের তো আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।  (২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা ৭টায় নওগাঁ শহরের এটিম মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচনী প্রচারণা ও রাজনৈতিক সফরের কর্মসূচির অংশ হিসেবে উত্তরের জেলা নওগাঁয় এসেছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে এক পক্ষ দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। কিন্তু আরেকটি পক্ষ আছে, যারা আগে থেকেই তাদের সঙ্গে একসঙ্গে ছিল। গত ১৬ বছর তাদের মাঠে-ঘাটে পাওয়া যায়নি। ভিতরে ভিতরে তাদের সঙ্গেই ছিল। তারা আবারও ভিতরে ভিতরে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ম্যাজিক দেখানোর মতো খালি বাক্স যেন ভরা বাক্সে দেখাতে না পারে, সে জন্য ব্যালট বাক্স পাহারা দিতে হবে।  বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছর বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো উন্নয়ন ও পরিবর্তন হয়নি। আমরা গ্রামের মানুষের উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই। নারীদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই। মানুষ যেন নিরাপদে পথে-ঘাটে হাঁটতে পারে এবং নিরাপদে ঘুমাতে পারে, সে লক্ষ্যে কাজ করা হবে। ঢাকার অনেক উন্নয়ন হয়েছে। মেগা প্রকল্প মানেই মেগা দুর্নীতি।  কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কৃষকদের ভালো রাখলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। এই অঞ্চলে ধানের পাশাপাশি আম চাষ হয়। তবে একটি সমস্যা রয়েছে, সেটি হলো আম সংরক্ষণের জন্য কোনো হিমাগার নেই। সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।   কৃষকদের উৎপাদিত ফসল কম খরচে ঢাকায় নিতে রেল ব্যবস্থার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হবে। কৃষকদের সুবিধার জন্য শহীদ জিয়া ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করে দিয়েছিলেন। আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করে দেব। দেশের সকল কৃষককে পর্যায়ক্রমে কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে। যা দিয়ে ফসলের যাবতীয় বীজ ও সার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে, যাতে তাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্ত হয় এবং প্রাকৃতিক ক্ষতির মোকাবিলা করতে পারে।  নারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মায়েদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। যা দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে একটি সুবিধা প্রদান করা হবে। গ্রাম-গঞ্জে মায়েরা ভালো চিকিৎসাসেবা পান না। এজন্য গ্রামে হেলথ কেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এতে ছোটখাটো অসুখ ঘরে বসেই নিরাময় করা যাবে।