NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬ | ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
Logo
logo

বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন ৪৯৬ জন নারী পেলেন টাকা


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:২৮ এএম

বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন ৪৯৬ জন নারী পেলেন টাকা

এম আব্দুর রাজ্জাক,বগুড়া থেকে : 

বগুড়ার শাখারিয়া ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের  গোপালবাড়ি সহ দেশের ১৪ টি উপজেলার ১৪ টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। আজ মঙ্গলবার সকাল দশটায় রাজধানী ঢাকায় উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   (১০ মার্চ মঙ্গলবার ) বগুড়ায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান এই ফ্যামিলি কার্ড উপকার ভোগীদের মধ্যে বিতরণ করেন।   প্রাথমিক পর্যায়ে সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের গোপাল বাড়িতে প্রাথমিক পর্যায়ে ৪৯৬ জনকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। এছাড়াও আরো কয়েকজনকে এই কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। সর্বমোট ফ্যামিলি কার্ডের অধিকারী হবেন ৮৬৮ জন। বাকিদের পর্যায়ক্রমে দিয়ে দেওয়া হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে  জানানো হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার পর অধিকাংশ পরিবারের গৃহিণীরা অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। কারণ এই টাকা তাদের পরিবারের অনেক কাজে লাগবে বলে তারা জানিয়েছেন। তাদের অনেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে বলেন এরকম কার্যক্রম ইতিপূর্বে বাংলাদেশে হয়নি।   আগামী দিনে আরো অনেক কিছু তার মাধ্যমে হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। উপকারভোগীরা কয়েকজন জানান, কার্ড পাওয়ার আগেই মোবাইলে টাকা পৌঁছে গেছে। এটা আমাদের পরিবারের জন্য অনেক কাজে লাগবে। তারেক রহমানের জন্য দোয়া করি। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘায়ু করুন।   উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান উপকারভোগী নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। এসময় তিনি বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ প্রান্তিক পর্যায়ের নারীদের জন্য।   ইতিমধ্যে সকালেই সবার মোবাইলে টাকা পৌঁছে গেছে। সবকিছু মিলিয়ে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি।   বগুড়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াজেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বগুড়া সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক রকনুল হল।  এ সময় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহম্মেদ খান রুবেল।  অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাউল করীম, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ-উন-নবী সালাম সহ স্থানীয় প্রশাসন ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।