NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতায় এগোচ্ছে চীনের চলচ্চিত্র শিল্প


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ১১:৪০ এএম

প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতায় এগোচ্ছে চীনের চলচ্চিত্র শিল্প

চীনের “থিয়ানথান অ্যাওয়ার্ড” বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে বিনিময় ও সংলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বেইজিং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ১৬তম আসরে অংশগ্রহণকারী চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা। 
খ্যাতনামা ফরাসি অভিনেত্রী জুলিয়েট বিনোশ, যিনি এবারের থিয়ানথান অ্যাওয়ার্ডের জুরি সভাপতি, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বলেন, “আমার কাছে থিয়ানথান সবসময়ই বন্ধুত্বের প্রতীক—যে ধরনের কিংবদন্তি কেবল সিনেমাই সৃষ্টি করতে পারে।” “থিয়ানথান” নামটি এসেছে স্বর্গের মন্দির থেকে, যা বেইজিংয়ের একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। 

এ বছর বিশ্বের ১৩৯টি দেশ ও অঞ্চলের মোট এক হাজার ৮২৬টি চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করে, যার মধ্যে ১৬টি চলচ্চিত্র থিয়ানথান অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। 

চীনের বেইজিং মিউনিসিপ্যাল কমিটির প্রচার বিভাগের পরিচালক সুন চুনমিন বলেন, গত ১৬ বছরে এই উৎসব চীনা সিনেমাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। 

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে বেইজিং চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিবেশ উন্নতকরণ, সৃজনশীল প্রক্রিয়া শক্তিশালী করে তোলা এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে কাজ করবে। 

উৎসব চলাকালীন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, ফোরামসহ বিভিন্ন অনলাইন ও অফলাইন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করা এই উৎসবটি চীনের দ্রুত বিকাশমান চলচ্চিত্র বাজারের কারণে বিশ্বব্যাপী ক্রমশ বেশি গুরুত্ববহ হয়ে উঠছে। তথ্য ও ছবি :সিনহুয়া।