NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬ | ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
Logo
logo

"অপরাধ দমনে আপসহীন এক ‘উজ্জ্বল নক্ষত্র বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানার হাল ধরলেন ওসি মো, কামরুজ্জামান মিয়া  "


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:২৮ এএম

"অপরাধ দমনে আপসহীন এক ‘উজ্জ্বল নক্ষত্র বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানার হাল ধরলেন ওসি মো, কামরুজ্জামান মিয়া  "

এম আব্দুর রাজ্জাক,বগুড়া থেকে :

​বগুড়া জেলার পুলিশিং সেবায় এক অনন্য ও আস্থার নাম ওসি মো, কামরুজ্জামান মিয়া  । সাহসিকতা, সততা আর কর্মনিষ্ঠার দীপ্তিতে ভাস্বর এই পুলিশ কর্মকর্তা এবার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে। তার এই নতুন পথচলাকে ঘিরে উপজেলাজুড়ে যেমন বইছে স্বস্তির হাওয়া, তেমনি অপরাধীদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম আতঙ্ক।  ​বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানায়  যোগদানের পর থেকেই ওসি মো, কামরুজ্জামান মিয়া, তার পেশাদারিত্বের প্রমাণ দিয়ে আসছেন। উপজেলার প্রতিটি সরকারি দপ্তরে আজ তার সুনাম ও কাজের দক্ষতা নিয়ে আলোচনা চলছে।  এর আগে বগুড়া জেলায় সদর থানা এবং শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) থাকাকালীন তিনি তার তীক্ষ্ণ মেধা ও সাহসিকতার মাধ্যমে জটিল অনেক রহস্য উন্মোচন করেছেন। তিনি মাদকের ও অপরাধ দমনে এবং জুয়ার বিরুদ্ধে তার জিরো টলারেন্স নীতি তাকে সাধারণ মানুষের কাছে এক ‘উজ্জ্বল নক্ষত্র’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।  ​

বগুড়া জেলার, আদমদীঘি এলাকায়  নতুন অধ্যায়ের সূচনা! ​মহা দায়িত্বের সাথে ওই এলাকার  আইন-শৃঙ্খলার হাল ধরেছেন তিনি। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—অন্যায়কারী যেই হোক,তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আদমদীঘি থানা এলাকা হবে মাদক সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত এক জনপদ। ​ওসি মো, কামরুজ্জামান মিয়া কেবল একজন কঠোর পুলিশ কর্মকর্তাই নন,বরং তিনি একজন অত্যন্ত মানবিক ও জনবান্ধব মানুষ। সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে আসা মানুষ থেকে শুরু করে সেবাপ্রার্থী—সবার সঙ্গেই তার বিনয়ী ব্যবহার ও দ্রুত সমস্যা সমাধানের দক্ষতা প্রশংসা কুড়িয়েছে।   তার কর্মপরিকল্পনার মূলে রয়েছে! ​সন্ত্রাস ও অপরাধ দমন! সাহসিকতার সাথে অপরাধী চক্রের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া। ​পুলিশিং সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াসহ নির্যাতিত ও অসহায় মানুষের শেষ আশ্রস্থল হিসেবে থানাকে গড়ে তোলা। ​  আদমদীঘি  থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে তার এই নতুন পথচলা উপজেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এক লড়াকু সৈনিকের মতোই তিনি লড়াই করবেন অপরাধের বিরুদ্ধে, আর সাধারণ মানুষের জন্য বয়ে আনবেন নিরাপত্তার সুগন্ধ এবং সুবাতাস।