NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন
Logo
logo

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘জাতীয় সংবিধান দিবস’ পালন


খবর   প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘জাতীয় সংবিধান দিবস’ পালন

নিউইয়র্ক, ০৪ নভেম্বর ২০২২:

 

যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আজ ‘জাতীয় সংবিধান দিবস’ পালন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ০৩ নভেম্বর ২০২২ এর প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এবারই প্রথমবারের মত দিবসটি পালিত হলো। স্থায়ী মিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুরুতেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এরপর উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনাপর্বে মূল বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আব্দুল মুহিত।

স্থায়ী প্রতিনিধি তাঁর বক্তব্যে সংবিধান প্রণয়ণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “সংবিধান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন এবং পবিত্র দলিল। এর মর্যাদা সম্মুন্নত রাখা আমাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব”। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ২৩ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ৯ মাসের মহান মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৬ ডিসেম্বর চুড়ান্ত বিজয় অর্জনের পর কিভাবে মাত্র ১১ মাসের মধ্যে বাঙ্গালি জাতির অধিকারের দলিল-সংবিধান রচিত হলো সেই ইতিহাস। 

১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার প্রাক্কালে জাতির পিতা যে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন তার গুরুত্ব উল্লেখ করে মান্যবর রাষ্ট্রদূত বলেন, “জাতির পিতা আমাদের শুধু স্বাধীনতাই এনে দেননি, সেদিন তিনি বাঙালি জাতির জন্য প্রথমবারের মতো একটি শাসনতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন। এত অল্প সময়ের মধ্যে সদ্য স্বাধীন একটি দেশের সংবিধান রচনা করার ঘটনা বিশ্বে বিরল”।

সংবিধান দিবস পালনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর ফলে সরকারি-বেসরকারি সকল পর্যায়ে বিশেষ করে তরুন প্রজন্মের মাঝে সবিধান পাঠ ও এর চর্চা আরও বৃদ্ধি পাবে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মহান মুক্তিযুদ্ধ, এবং সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস জানতে আগ্রহী হবে যা বাংলাদেশের সংবিধানের মর্যাদা, তাৎপর্য ও পবিত্রতাকে আরও সমুন্নত রাখবে।

সংবিধানের ২১ (২) অনুচ্ছেদ -“সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য” উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুহিত দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারির উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা আমাদের কর্ম ও চিন্তায় যেন সর্বদাই সংবিধানকে অনুসরণ করি”।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিকত্ব, এবং এর বিভিন্ন ভাগের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন উপস্থায়ী প্রতিনিধি ড. মনোয়ার হোসেন, ইকোনমিক মিনিস্টার মাহমুদুল হাসান, ডিফেন্স অ্যাডভাইজর ব্রিগেডিয়ার ছাদেকুজ্জামান। ১৯৭২ সালের মুল সংবিধানের নানা দিক উঠে আসে এ উন্মুক্ত আলোচনায়। আলোচকগণ বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান শুধু আমাদের সর্বোচ্চ আইনই নয় এতে দেশের সীমারেখা, প্রশাসনিক ভিত্তি, বিচার বিভাগ, আইন বিভাগসহ রাষ্ট্রপরিচালনার সংশ্লিষ্ট সকল দিকই তুলে ধরা হয়েছে, যা পূর্নাঙ্গ এবং অনন্য বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন একটি রাষ্ট্রীয় দলিল।

স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটিতে মিশনের সকল স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করে দূতালয় প্রধান ফাহমিদ ফারহান।