মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের শোক দিবসের সভায় জিয়াউর রহমানের মরনোত্তর বিচার ও মুক্তিযোদ্ধা খেতাব বাতিলের দাবি
প্রকাশিত: ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:৩৭ এএম
ওয়াশিংটন ডিসি: বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্বৈরশাসক ঠান্ডা মাথার খুনি জিয়াউর রহমানের মরনোত্তর বিচারের দাবি জানিয়েছে মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ। একই সাথে জিয়াউর রহমানের মুক্তিযোদ্ধা খেতাব বাতিলেরও দাবি জানানো হয়।
২০ আগস্ট শনিবার সন্ধ্যায় ভার্জিনিয়ার ষ্প্রীংফিল্ডের কমফোর্ট হোটেল বলরুমে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করে। দুই পর্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে এক উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয় পর্বে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় সেমিনার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শিব্বীর আহমেদ এবং সভা সঞ্চালনা করেন সাধারন সম্পাদক নুরুল আমিন নুরু ও যুগ্ম সম্পাদক কামাল হোসেন।
মুজিব মানে স্বাধীনতা, মুজিব মানেই বাংলাদেশ। ঘাতকরা হয়নি সফল; মুজিব চেতনায় জাগ্রত, হৃদয়ে স্পন্দিত, শোকাহত-প্রতিবাদী-মুজিব বিপ্লবী জনতা কোটি কোটি। মুজিব মরেনি মরতে পারে না। শতবর্ষে শেখ মুজিব শতকোটি গুণ শক্তিশালী। অনুষ্ঠানের শুরুতে মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক নুরুল আমিন নুরুকে দলের পুর্ণাঙ্গ সাধারন সম্পাদক হিসাবে সর্বসম্মত ভাবে দায়িত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। পরে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শিব্বীর আহমেদ এবং দলের নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমীনের নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন অনুষ্ঠানে আগত সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ। এরপরেই জাতির পিতা, তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহিদ সদস্য, শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন ও নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।
জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার মূলহোতা ঠান্ডা মাথার খুনি জিয়াউর রহমানের মরনোত্তর জানিয়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টকে ইতিহাসের জঘন্যতম ও কলঙ্কময় দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। বক্তারা বলেন, বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা ও মহান স্বাধীনতার রূপকার বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা আজ স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ পেতাম না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ছিলেন অন্যায়, অবিচার ও শোষণের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর।
আলোচনা সভায় বক্তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধুমাত্র বাঙালিরই নন বরং তিনি বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের প্রেরণার উৎস হয়ে সকলের হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবেন। বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ অদম্যগতিতে উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’ স্বপ্নের বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার আহবান জানান এবং আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ও বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ও বক্তব্য রাখেন মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ সহসভাপতি আনোয়ার হোসাইন, নাজমুল হাসান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শামীম হায়দার, সদস্য শোয়েব রহমান, জনি হোসেন, নুরুল আলম, মোহাম্মদ কবীর, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আবুল শিকদার, সহ-সভাপতি সিরাজুল হক, বৃহত্তর বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সরকার, হাসনাত সানি প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর নির্মিত দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শিব্বীর আহমেদের লেখা দুটি গান ‘শ্রেষ্ঠ সন্তান’ এবং ‘বজ্রকণ্ঠে স্বাধীনতা’ ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
প্রবাস রিলেটেড নিউজ
নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন
ওয়াশিংটন ডিসিতে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী পালিত
২২ সেপ্টেম্বর জেএফকে বিমানবন্দরে, ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের প্রতিবাদ সভা
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতীয় শোক দিবস পালন
নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের সাথে এনটিভি চেয়ারম্যান ফালু’র মতবিনিময়
বাংলাদেশের সাথে দৃঢ় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপনে ইতালির ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের গভীর আগ্রহ
State Minister for Shipping welcomes US support for inland waterways management
"A journey to Tagore's era and his spiritual abode, Santiniketon" - Pamelia Riviere
