আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মহাসাগর আইন চুক্তি স্বাক্ষরের ৪০তম বার্ষিকীতে চীনা পররাষ্ট্র
প্রকাশিত: ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪০ পিএম
চীনা রাষ্ট্রীয় কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ২ সেপ্টেম্বর ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে জাতিসংঘের মহাসাগর আইন চুক্তি স্বাক্ষরের ৪০তম বার্ষিকীর এক আলোচনাসভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।
ওয়াং ই বলেন, ১৯৮২ সালে জাতিসংঘের মহাসাগর আইন চুক্তির জন্ম হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে মহাসাগর প্রশাসনের নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করেছে।
এ চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া, লক্ষ্য ও অনুশীলনের দিকে ফিরে তাকালে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মহাসাগর প্রশাসনের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক পাওয়া যায়: বহুপক্ষবাদের সম্প্রসারণ, ন্যায্যতা ও সমতা বেগবান করা, এবং উন্মুক্তকরণ ও অগ্রগতিতে অবিচল থাকা।
ওয়াং ই বলেন, উন্নয়নশীল মহাসাগরের বড় দেশ হিসেবে চীন নিজের বৈধ স্বার্থের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সমাজের পুরো স্বার্থকে যুক্ত করেছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর পাশে থেকে চীন সম্পূর্ণভাবে সে চুক্তির বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে এবং অন্যতম প্রথম চুক্তি স্বাক্ষরকারী হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছে।
তিনি বলেন, চীন বরাবরই চুক্তি মেনে চলে এবং চুক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি চুক্তির সম্পূর্ণতা ও কর্তৃত্ব রক্ষা করে চলে।
ওয়াং ই আরও বলেন, ‘নতুন যুগ-সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আমাদের উচিত অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট কমিউনিটি গঠনের চেতনায় মহাসাগরের টেকসই উন্নয়ন বেগবান এবং বৈঠক ও সংলাপের ভিত্তিতে মহাসাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।’
বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আরও উচ্চমানের বৈশ্বিক মহাসাগরের প্রশাসন ও মানব জাতির মহাসাগরীয় স্বার্থ বৃদ্ধির জন্য আরও অবদান রাখতে চীন ইচ্ছুক বলে জানান তিনি।
সূত্র:সিএমজি
আন্তর্জাতিক রিলেটেড নিউজ
চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে সিনচিয়াংয়ের আমদানি-রফতানি ৩৮.১ শতাংশ বেড়েছে
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মুর্শিদাবাদে একটি নতুন স্থলবন্দর খোলার প্রস্তাব লোকসভার কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীর
সি চিন পিং ও তাঁর শিক্ষকদের গল্প
Statement on Suspension of License of VOA Affiliate Radio Dario in Nicaragua
সিনচিয়াং পরিদর্শন করেছেন সি চিন পিং
চীনে ৪০ হাজারের অধিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র রয়েছে
বিবিসি বলছে, কোন ভাষা বিভাগই পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না
সিনচিয়াংয়ের কাজাখ জাতির গ্রামবাসী আমান’র দারিদ্র্যমুক্ত হওয়ার গল্প
