NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কে বাংলা বইমেলা: প্রবাসের ভাষা, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের পরীক্ষা লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations
Logo
logo

আন্তরিকতার সাথে জনগণের সেবা করতে ভুলো না: সি চিন পিংকে বাবা সি চং স্যুন


ছাই উইয়ে মুক্তা,বেইজিং: প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম

আন্তরিকতার সাথে জনগণের সেবা করতে ভুলো না: সি চিন পিংকে বাবা সি চং স্যুন

 


সি চং স্যুন একবার তার ছেলে সি চিন পিং-কে বলেছিলেন: ‘তুমি যত বড় কর্মকর্তাই হও না কেন, আন্তরিকতার সাথে জনগণের সেবা করতে ভুলো না; সত্যিকার অর্থেই জনগণের কথা ভাববে, গণমানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করবে এবং তাদের জন্য সহজলভ্য হবে।’

১৯৪৫ সালের অক্টোবরে মাও সেতুং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কমরেডদের সাথে সি চং স্যুনকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, উত্তর-পশ্চিম ব্যুরোর সম্পাদক হিসেবে এই তরুণ কমরেডকে দায়িত্ব দিতে হবে। তাঁর নাম সি চং স্যুন। তিনি জনগণের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসা একজন জননেতা।

জাতীয় বিপদের সময়ে জন্মগ্রহণকারী এই সর্বহারা বিপ্লবী সি চং স্যুন কৃষকদের মধ্যে বেড়ে উঠেছেন। জনগণ, বিশেষ করে কৃষকদের প্রতি তাঁর গভীর মমত্ববোধ ছিল। তিনি সবসময় বলতেন, আমি একজন কৃষকের ছেলে। 

সি চং স্যুন সুইত্য-র স্থানীয় সিপিসি কমিটির সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করার সাথে সাথে ৫ লাখ ২০ হাজার বাসিন্দার সেবায় আত্মনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি সকল স্তরের ক্যাডারদের গ্রামে গিয়ে জনসাধারণের জন্য কাজ করতে ও তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে আহ্বান জানান।  

সি চিন পিং বলেন, বাবার আচরণ সম্পর্ককে জানতে হবে, বাবার কাজ দেখে শিখতে হবে, সন্তানসুলভ দৃষ্টিকোণ থেকে বাবাকে অনুসরণ করতে হবে, মিতব্যয়ী জীবন কাটানোর দিক্ষা বাবার কাছ থেকে নিতে হবে। 

সি চিন পিং মনে করেন, একজন ব্যক্তি জনগণের সেবা করার মাধ্যমে পিতামাতার প্রতি সবচেয়ে বড় সুবিচার করতে পারে। এই শিক্ষা তিনি পেয়েছেন তাঁর বাবার কাছ থেকে। 
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।