NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কে বাংলা বইমেলা: প্রবাসের ভাষা, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের পরীক্ষা লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের স্বাধীনতার সমর্থন করবে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন


ছাই উইয়ে : প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের স্বাধীনতার সমর্থন করবে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন

 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ১৯ জুন বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দেখা করেন। 

সাক্ষাতে সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, বিশ্ব উন্নত হচ্ছে, যুগ বদলাচ্ছে। এমন এক সময়ে বিশ্বের জন্য একটি স্থিতিশীল চীন-মার্কিন সম্পর্ক প্রয়োজন। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঠিকভাবে পথচলা মানবজাতির ভাগ্য ও ভবিষ্যতের ওপর প্রভাব ফেলবে। 
তিনি বলেন, বিশাল এই পৃথিবী চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সমান্তরাল উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিকে সম্পূর্ণরূপে ধারণ করতে সক্ষম। চীনা জনগণ মার্কিনিদের মতো আত্মমর্যাদাশীল, আত্মবিশ্বাসী ও আত্মনির্ভরশীল; তাদেরও উন্নত জীবন সন্ধান করার অধিকার রয়েছে। এ অবস্থায়, দুই দেশের মধ্যে অভিন্ন কল্যাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে এবং একে অপরের সাফল্যকে হুমকি নয়, বরং সুযোগ হিসেবে গণ্য করতে হবে।

সি চিন পিং বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক সমাজ সাধারণভাবে চীন-মার্কিন সম্পর্ক নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিশ্ব এই দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত দেখতে চায় না, চায় দু’দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা। দুই দেশের উচিত ইতিহাস, জনগণ ও বিশ্বের প্রতি দায়বদ্ধতার মনোভাব নিয়ে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সঠিক পথে পরিচালিত করা এবং যৌথভাবে বৈশ্বিক শান্তি ও উন্নয়নে অবদান রাখা।

সি চিন পিং আরও বলেন, বড় দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিযোগিতা যুগের প্রবণতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।  চীন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে সম্মান করে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানাতে বা প্রতিস্থাপন করতে চায় না। একইভাবে, যুক্তরাষ্ট্রেরও উচিত চীনকে সম্মান করা এবং চীনের বৈধ অধিকার ও স্বার্থের ক্ষতি না-করা। 

জবাবে ব্লিঙ্কেন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেন বিশ্বাস করেন যে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য দু’দেশেরই দায়িত্ব পালন করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট বাইডেনের দেওয়া প্রতিশ্রুতি মেনে চলবে। 

তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ‘নতুন শীতলযুদ্ধ’ চাইবে না, চীনের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করবে না, মিত্রদের শক্তিশালী করে চীনের বিরোধিতা করবে না, ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’ সমর্থন করবে না, এবং চীনের সাথে সংঘাতের কোনো ইচ্ছাও পোষণ করবে না। যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাথে উচ্চ-স্তরের আদান-প্রদান চালাতে, মসৃণ যোগাযোগ বজায় রাখতে, দায়িত্বশীলভাবে মতভেদ নিয়ন্ত্রণ করতে, পারস্পরিক সংলাপ, বিনিময় ও সহযোগিতা উন্নত করতে ইচ্ছুক। 
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।