খবর প্রকাশিত: ১২ মে, ২০২৬, ০৭:০২ এএম

মোঃ আলী খান বাবুল; গত কিছুদিন যাবৎ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার চুড়াইন ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই বেড়ে গিয়েছে। এমনকি দিনের বেলায়ও চুরি ও ছিনতাই হচ্ছে। গত বুধবার চুড়াইন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে একটি ওষুধের দোকানে দিনের বেলায় পেছনের টিন কেটে নগদ টাকা নিয়ে যায়। দোকানের মালিক দুপুরে যখন বাসায় যান তখন এই চুরি সংঘটিত হয়। গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে এক অটোরিকশা চালক যাত্রী নিয়ে চুড়াইন থেকে খারসুর যায়। সেখানে তাকে নামিয়ে দেয়ার পর তিনজন যাত্রী এসে তার রিকশায় উঠে এবং তাকে কোমরগন্জ যেতে বলে। যাত্রীদের মধ্যে দুইজন পেছনের সিটে এবং একজন চালকের পাশে বসে। রিকশা যখন কোমরগঞ্জের কাছাকাছি পৌঁছে তখন তার পাশের যাত্রী কিছু তার নাকের সামনে ধরে। আর সেই গন্ধ শোঁকানোর পরে চালক অনেকটা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
সেই সময়ে ছিনতাইকারীরা তার কাছ থেকে রিকশাটি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। তখনও তার কিছু জ্ঞান থাকায় সে রিকশার হ্যান্ডেল ধরে রাখার চেষ্টা করছিলো। তাই তখন ছিনতাইকারীরা তাঁকে মারধর করে রাস্তার পাশে ফেলে চলে যায়। ঐ পথ দিয়ে যাওয়ার সময় এক বৃদ্ধ লোক তাকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পান। তিনিই তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। বিকেল তিনটার দিকে তার জ্ঞান ফিরে আসার পর নার্স তার কাছ থেকে নাম্বার নিয়ে বাসায় ফোন করে খবর জানায়। রাতের বেলায় গ্যারেজ বা বাসার তালা কেটে অটো রিকশা ও অটো টমটম চুড়ির ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। ইদানীং বাড়িতে কেউ না থাকায় বেশ কিছু বাড়ির তালা বা গ্রীল কেটে চুরি হয়েছে। এপর্যন্ত কোন চোর বা ছিনতাইকারী ধরা পড়েনি। তাই দিনদিন চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়াতে এলাকাবাসী আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে