NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কে বাংলা বইমেলা: প্রবাসের ভাষা, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের পরীক্ষা লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations
Logo
logo

বিশিষ্ট সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী ছিলো ২৬ অক্টোবর


যুবরাজ চৌধুরী প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৮:১২ পিএম

বিশিষ্ট সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী ছিলো ২৬ অক্টোবর

 প্রখ্যাত সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর ছিলো ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী ছিলো ২৬ অক্টোবর। ২০১৩ সালের এই দিনে তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে গিয়াস কামাল চৌধুরী এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি একাধারে সাংবাদিক, সাংবাদিক নেতা, কলামিস্ট ও সংবাদ বিশ্লেষক ছিলেন। রাজনীতি সচেতন সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে সাংবাদিক সমাজে তাঁর পরিচিতি ব্যাপক। মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর অনুসারী ছিলেন তিনি। পাকিস্তান আমলে গণতান্ত্রিক ও স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে আন্দোলনে অংশ নিয়ে কারাবরণ করেন তিনি। বিএফইউজে, জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্বদানসহ তিনি বাংলাদেশের হয়ে লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনে কূটনীতিকের দায়িত্বও পালন করেন। সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার একুশে পদক পান তিনি।

গিয়াস কামাল চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস ফেনী সদর উপজেলার শর্শদীতে। তবে তাঁর জন্ম ১৯৩৯ সালের ২১ জুলাই চট্টগ্রামে। কুমিল্লার বিখ্যাত দারোগা বাড়িতে তাঁর বেড়ে ওঠা। প্রাবন্ধিক মোতহের হোসেন চৌধুরী ও সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খসরু ছিলেন তার চাচা। তাঁর মা মুনীর আখতার খাতুন চৌধুরাণী ছিলেন কবি। ‘চির সুমধুর’ নামে তাঁর একটি কবিতা সংকলন রয়েছে। গিয়াস কামাল চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি নেয়ার পর সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা করেন। ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেয়ার অপরাধে পাকিস্তান আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও হয়েছেন।

গিয়াস কামাল চৌধুরীর সাংবাদিকতা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে, ইত্তেফাক গ্রুপের ‘ঢাকা টাইমস’ পত্রিকায়। পরবর্তী সময়ে তিনি ইংরেজি দৈনিক মর্নিং নিউজ পত্রিকার আইন প্রদায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) যোগ দেন। এ ছাড়া তিনি ভয়েস অব আমেরিকাসহ (ভোয়া) দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পত্রিকা ও সংবাদ সংস্থায় কাজ করেছেন। ১৯৮০-র এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ভয়েস অব আমেরিকায় তাঁর বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য রিপোর্টের জন্য বাংলাদেশের মানুষ উন্মুখ হয়ে থাকতেন। #সর্বশেষ আমৃত্যু তিনি দেশের জনপ্রিয় দৈনিক, দৈনিক খবরপত্র পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

একাধিক মেয়াদে তিনি ডিইউজে (ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন), বিএফইউজে (বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন) ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সাংবাদিকদের রুটি-রুজির সংগ্রামে গিয়াস কামাল ছিলেন প্রথম কাতারের নেতা। গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি রেখেছেন স্মরণযোগ্য ভূমিকা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণসহ জাতীয় গণতান্ত্রিক ও পেশাজীবীদের অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদবিরোধী জাতীয়তাবাদী ও দেশপ্রেমিক সাংবাদিক হিসেবে সাংবাদিক সমাজে শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর একনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে এ দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য আজীবন তাঁর কলম সচল রেখেছেন। কারাগারেও যেতে হয়েছে একাধিকবার।