NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কে বাংলা বইমেলা: প্রবাসের ভাষা, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের পরীক্ষা লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations
Logo
logo

প্রেমের টানে সাভারে এসে বিয়ে করলেন সাইপ্রাসের তরুণী


এম আব্দুর রাজ্জাক প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৮:১২ পিএম

প্রেমের টানে সাভারে এসে বিয়ে করলেন সাইপ্রাসের তরুণী

এম আব্দুর রাজ্জাক, বগুড়া থেকে : এবার প্রেমের টানে সাইপ্রাসের এক তরুণী ঢাকার সাভারে এসেছেন। আন্থি তেলেবান্থু নামের ওই তরুণী বাংলাদেশে এসে বিয়ে করেছেন প্রেমিক শামীম আহমেদকে। শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে, গত ৩০ নভেম্বর ঢাকা জজকোর্টে বিয়ে করেন আন্থি ও শামীম। তারও আগে, গত ২৭ নভেম্বর আশুলিয়ায় শামীমের বাড়িতে আসেন আন্থি তেলেবান্থু।

জানা যায়, ২০১৫ সালে স্টুডেন্ট ভিসায় সাইপ্রাসে যান শামীম। সেখানে পড়ালেখার পাশাপাশি একটি প্রতিষ্ঠানে পার্টটাইম চাকরি নেন। একই প্রতিষ্ঠানে কাজের সুবাদে আন্থির সঙ্গে পরিচয় হয় শামীমেম। এক সময় দুইজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।শামীম আহমেদ বলেন, সাইপ্রাসের লিমাসোল শহরে আন্থির বাসায় আমার আসা-যাওয়া ছিল। একপর্যায়ে ওর পরিবারের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে আসলে আমি দেশে ফিরে আসি। তারপরও আন্থি এবং আমার মধ্যে অনলাইনে যোগাযোগ হতো। আমার পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলত। গত ২৭ নভেম্বর সে বাংলাদেশে চলে আসে। এরপর উভয় পরিবারের সম্মতিতে আমরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই।

সাইপ্রাসের তরুণী আন্থি তেলেবান্থু বলেন, আমরা দুজন একসঙ্গে কাজ করেছি, তারপর বন্ধু হয়েছি। তাকে ব্যক্তিগতভাবে একজন ভালো মানুষ হিসেবে জানি। সে অসহায় মানুষদের সাহায্য করতে পছন্দ করে। এসব কারণে আস্তে আস্তে তার প্রেমে পড়ে যাই। আমার পরিবারও শামীমকে অনেক পছন্দ করে। তারাও আমাদের এই সম্পর্ককে মেনে নিয়েছে।শামীমের চাচা ফরিদ উদ্দিন বলেন, বিদেশি মেয়ে হলেও ওর সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক হয়ে গেছে। গত তিনদিন যখনই আমার সামনে এসেছে, বাঙালি মেয়েদের মতো ঘোমটা পরে আসছে। পুত্রবধূকে নিয়ে খুব আনন্দে আছি।