NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কে বাংলা বইমেলা: প্রবাসের ভাষা, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের পরীক্ষা লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations
Logo
logo

চীন ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম

চীন ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক

 

 


চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং গত শনিবার বিকেলে বেইজিংয়ের মহাগণভবনে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ানতোর সাথে বৈঠক করেছেন।

সি চিন পিং উল্লেখ করেন যে, প্রেসিডেন্ট সুবিয়ানতো এই বছরের মার্চে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরপরই চীন সফর করেছেন এবং তারপরে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আবার চীন সফর করছেন। এটি চীন-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক উন্নয়নের প্রেসিডেন্ট সুবিয়ানতো অতন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উচ্চ স্তরের এবং তার কৌশলগত তাৎপর্য রয়েছে। 

সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেছেন যে, উভয়পক্ষের উচিত উচ্চ স্তরের কৌশলগত পারস্পরিক বিশ্বাসকে সুসংহত করা, সরকার, আইন প্রণয়ন সংস্থা এবং স্থানীয় সরকারগুলোর মধ্যে উচ্চ-স্তরের আদান-প্রদান ও সহযোগিতা জোরদার করা, দেশ শাসনের অভিজ্ঞতা বিনিময় জোরদার করা, আধুনিকীকরণের পথ অন্বেষণে একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা এবং জাতীয় স্বার্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ প্রধান উদ্বেগের সুরক্ষায় একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা। দু’দেশের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতার বিন্যাস আরও উন্নত করা এবং রাজনীতি, অর্থনীতি, মানবিক, সামুদ্রিক এবং নিরাপত্তায় সহযোগিতার ‘পাঁচটি স্তম্ভ’ তৈরি করা উচিত।

সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই বছর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি নীতি ঘোষণার ৭০তম বার্ষিকী এবং পরের বছর বান্দুং সম্মেলনের ৭০তম বার্ষিকী চিহ্নিত করে। প্রধান উন্নয়নশীল দেশ, উদীয়মান বাজারের দেশ এবং গ্লোবাল সাউথের প্রধান দুটি সদস্য হিসেবে চীন ও ইন্দোনেশিয়াকে যৌথভাবে শান্তি, সহযোগিতা, সহনশীলতা এবং একীভূতকরণের সাথে এশিয়ান মূল্যবোধের প্রচার করা উচিত, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি নীতি এবং বান্দুং মর্ম নতুন যুগের সংজ্ঞা এবং গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর নিজেদেরকে শক্তিশালী করতে এবং বিশ্বব্যাপী শাসনকে আরও ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত দিকে উন্নীত করতে একত্রিত হওয়ার পথে নেতৃত্ব দেওয়া উচিত।


আলোচনার পর, দুই রাষ্ট্রপ্রধান যৌথভাবে যৌথ উন্নয়ন, সমুদ্র অর্থনীতি, জল সংরক্ষণ, খনিজ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বেশ কয়েকটি নথিতে স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেছেন। উভয়পক্ষ ‘চীন ও ইন্দোনেশিয়া সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক এবং চীন-ইন্দোনেশিয়া অভিন্ন কল্যাণের কমিউনিটি গঠনের যৌথ বিবৃতি’ জারি করেছে।

আলোচনার আগে, সি চিন পিং মহাগণভবনে প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ানতোর জন্য একটি স্বাগত অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
সেই রাতে, সি চিন পিং মহাগণভবনের ​​গোল্ডেন হলে প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ানতোর জন্য স্বাগত ভোজসভার আয়োজন করেন। 

সূত্র:স্বর্ণা-হাশিম-লিলি, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।