NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কে বাংলা বইমেলা: প্রবাসের ভাষা, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের পরীক্ষা লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations
Logo
logo

চীন ও ভারতের উচিৎ বহুপাক্ষিকতার চর্চা করা:চীনা মুখপাত্র


আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম

চীন ও ভারতের উচিৎ বহুপাক্ষিকতার চর্চা করা:চীনা মুখপাত্র

 

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ১৮ জানুয়ারি এক বক্তৃতায় বলেছেন যে, ভারত-চীন সম্পর্ক উভয় দেশের উন্নয়ন সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত। ২০২০ সালে সীমান্ত সংঘাতের কারণে সৃষ্ট জটিল পরিস্থিতি থেকে ধীরে ধীরে মুক্তি পাচ্ছে ভারত ও চীন। একই সময়ে, চীনের ক্রমবর্ধমান শক্তির মুখে, ভারতকে অবশ্যই প্রতিক্রিয়া জানাতে এবং তার ব্যাপক জাতীয় শক্তি বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে প্রস্তুত থাকতে হবে। 


এ প্রসঙ্গে চীনের পররাষ্ট্রম ন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কুও চিয়া খুন গত (মঙ্গলবার) বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দুটি প্রাচীন সভ্যতা, প্রধান উন্নয়নশীল দেশ এবং উদীয়মান অর্থনীতি হিসাবে, চীন ও ভারতের উচিত উন্নয়নের দিকে মনোনিবেশ করা এবং পরস্পরকে সহযোগিতা করা। এটি দুই দেশের মানুষের মৌলিক স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, আঞ্চলিক দেশ এবং জনগণের অভিন্ন প্রত্যাশার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, গ্লোবাল সাউথের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির ঐতিহাসিক প্রবণতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এবং আঞ্চলিক এমনকি বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্যও সহায়ক।


মুখপাত্র আরও বলেন, কাজানে প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির মধ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য হয়েছে তা উভয় পক্ষেরই আন্তরিকতার সাথে বাস্তবায়ন করা উচিত। চীন ও ভারতের উচিত শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি নীতি মেনে চলা, সত্যিকার অর্থে বহুপাক্ষিকতার চর্চা করা এবং একটি সমান ও সুশৃঙ্খল বহুমেরু বিশ্বের পক্ষে দাঁড়ানো। অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক বিশ্বায়নের পক্ষে এবং বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধি বজায় রাখতে এবং প্রচারে আরও বেশি অবদান রাখা উচিত দু’দেশের। 

সূত্র: জিনিয়া-হাশিম-শুয়েই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।