NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কে বাংলা বইমেলা: প্রবাসের ভাষা, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের পরীক্ষা লুৎফুর রহমানের পর নিউহাম কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি ফরহাদ হোসেন শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations
Logo
logo

বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উভয় দেশ ও বিশ্বের জন্য কল্যাণকর : অভিনন্দনবার্তায় মুর্মু


আন্তর্জাতিক : প্রকাশিত:  ১১ মে, ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম

বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উভয় দেশ ও বিশ্বের জন্য কল্যাণকর : অভিনন্দনবার্তায় মুর্মু

 

 

১লা এপ্রিল দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে, চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও ভারতের প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদি মুর্মু, গত (মঙ্গলবার) অভিনন্দনবার্তা বিনিময় করেন।

অভিনন্দনবার্তায় সি চিন পিং বলেন, চীন ও ভারত প্রাচীন সভ্যতার দেশ, বড় উন্নয়নশীল দেশ, ও ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। উভয় দেশ নিজ নিজ আধুনিকায়ন-প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। চীন-ভারত সম্পর্কের উন্নয়ন দেখায় যে, পারস্পরিক সাফল্যের অংশীদার হওয়া উভয় পক্ষের জন্যই সঠিক পছন্দ। এটি দুই দেশ ও দু’দেশের জনগণের মৌলিক স্বার্থের সাথেও সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। 


তিনি বলেন, দু’দেশের উচিত চীন-ভারত সম্পর্ককে কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা ও পরিচালনা করা। দু’দেশের উচিত যৌথভাবে প্রতিবেশী প্রধান দেশগুলোর শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থানের উপায় অনুসন্ধান করা এবং পারস্পরিক বিশ্বাস, পারস্পরিক সুবিধা ও অভিন্ন উন্নয়নের সাথে যৌথভাবে বিশ্বের বহুমেরুকরণ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গণতন্ত্রীকরণকে উৎসাহিত করা। 


সি আরও বলেন, দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭৫তম বার্ষিকীর সুযোগ ধরে, কৌশলগত পারস্পরিক আস্থা জোরদার ও বিভিন্ন ক্ষেত্রের সহযোগিতা ও যোগাযোগ ত্বরান্বিত করতে হবে। দু’দেশের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোতে যোগাযোগ ও সমন্বয় উন্নত করতে হবে, যাতে চীন-ভারত সম্পর্কের উন্নয়নকে একটি সুস্থ ও স্থিতিশীল পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রচারে অবদান রাখা যায়। 


নিজের অভিনন্দনবার্তায় মুর্মু বলেন, ভারত ও চীন হলো পরস্পরের সুপ্রতিবেশী। দু’দেশে বিশ্বের জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের বাস। স্থিতিশীল, প্রত্যাশিত ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উভয় দেশ ও বিশ্বের জন্যই কল্যাণকর। দু’দেশকে যৌথভাবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সুস্থ ও স্থিতিশীল উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হবে।


একই দিনে দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ও অভিনন্দনবার্তা বিনিময় করেন। চীনা প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং তার বার্তায় বলেন, চীন অব্যাহতভাবে ভারতের সাথে কৌশলগত পারস্পরিক আস্থা বাড়াতে, বিভিন্ন ক্ষেত্রের যোগাযোগ ও সহযোগিতা ত্বরান্বিত করতে, এবং যথাযথভাবে সীমান্তের ইস্যুগুলো মোকাবিলা করতে ইচ্ছুক। 


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার বার্তায় বলেন, দু’দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন কেবল বিশ্বের সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার জন্যই সহায়ক নয়, বরং বহুমেরুর বিশ্ব অর্জনেও সহায়ক। ভারত-চীন কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭৫তম বার্ষিকী দুই দেশের সম্পর্ককে সুস্থ ও স্থিতিশীল উন্নয়নের এক নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাবে।  

সূত্র : ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।